উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

কালী প্রতিমার সোনার গয়না চুরি, লুঠ হল প্রণামী বাক্সের নগদ টাকাও!

কালী প্রতিমার সোনার গয়না চুরি, লুঠ হল প্রণামী বাক্সের নগদ টাকাও!

দুষ্কৃতীরা মন্দিরে প্রবেশ করেই সিসিটিভি সংযোগ বিচ্ছিন করে দেয়। ঘটনাটির সেই ছবি সিসিটিভিতে ধরা পড়েছে। তারপর আর কিছু দেখা যায়নি৷

  • Share this:

#হেমতাবাদ: হেমতাবাদ থানার ঢিল ছোড়া দূরত্বে কালী মন্দির থেকে চুরি হয়ে গেল প্রতিমার স্বর্নালঙ্কার। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। জানা গেছে, হেমতাবাদ বিদ্রোহী কালী মন্দিরে প্রতিদিনের মত গতকাল, বৃহস্পতিবার, রাত্রি আটটায় নিত্যপূজা করে মন্দিরের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়।মন্দিরে নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভ ছাড়াও রাতে সিভিক ভলেন্টিয়ার মোতায়ন থাকে।থানার ঢিল ছোড়া দূরত্বে এই মন্দির। শুক্রবার সকালে মন্দির পরিষ্কার কর‍তে এসে ঘটনাটি দেখতে পান সকলে। মন্দির কমিটি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দুষ্কৃতীরা মন্দিরে প্রবেশ করেই সিসিটিভি সংযোগ বিচ্ছিন করে দেয়। ঘটনাটির সেই ছবি সিসিটিভিতে ধরা পড়েছে। তারপর আর কিছু দেখা যায়নি৷ হেমতাবাদ থানার  পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছায়।ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মন্দির কমিটির কর্মকর্তা মনোজ মহন্ত জানিয়েছেন, দুষ্কৃতীরা মন্দিরে ঢুকে কালী ঠাকুরের বেশ কিছু স্বর্নালঙ্কার নিয়ে চম্পট দিয়েছে।থানার উল্টোদিকে এধরণের ঘটনা ঘটায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

হেমতাবাদ থানার সেন্ট্রি গার্ডের নজরের মধ্যে থাকা এবং সিভিক ভলেন্টিয়ার থাকা সত্বেও কালী মন্দির থেকে লক্ষাধিক টাকার সোনার গহনা চুরির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদে। হেমতবাদ থানার মাত্র ৫০ মিটারের মধ্যে " বিদ্রোহী " ক্লাবের কালী মন্দির থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দুষ্কৃতীরা কালী মূর্তির সোনার গহনা ও প্রণামী বাক্স থেকে নগদ টাকা লুঠ করে নিয়ে চম্পট দিয়েছে। মন্দিরের সিসিটিভি ক্যামেরা খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হেমতাবাদ থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন উৎসবের মরশুমে লাগাতর করোনা পরীক্ষা করবে স্বাস্থ্যদফতর

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হেমতাবাদ থানার সামনেই মাত্র ৫০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে বিদ্রোহী ক্লাবের ঐতিহ্যবাহী কালীমন্দির। মন্দিরে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকার পাশাপাশি হেমতাবাদ থানার সিভিক ভলেন্টিয়ার থাকে মন্দির চত্বরে। এমনকি থানার সেন্ট্রি ঘর থেকেও পুরো মন্দির চত্বর নজরে থাকে। এমতাবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে কীভাবে মন্দির থেকে চুরির ঘটনা ঘটনা ঘটল তা নিয়েই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মন্দির কর্তৃপক্ষের এক কর্মকর্তা মনোজ মহন্ত জানিয়েছেন, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে মন্দিরে কারা ঢুকেছিল তা বোঝা যাচ্ছে তবে রাত ১ টা ৩৭ মিনিট নাগাদ সিসিটিভি বিকল করে দেওয়ায় আর ছবি পাওয়া যাচ্ছেনা। আপাতত যা দেখা যাচ্ছে,  হেমতাবাদে একটা বিশৃঙ্খলা তৈরি করতেই উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে এই কাজ করা হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে হেমতাবাদ থানার ওসি নিজে এসে পরিদর্শন করে গিয়েছেন। পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করার আর্জি জানিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। মন্দিরের কালী মাতার সোনার মালা সহ প্রায় দেড় লক্ষ টাকার সামগ্রী চুরি গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হেমতাবাদ থানার পুলিশ।

Published by: Pooja Basu
First published: October 16, 2020, 3:21 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर