স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান চাই, দার্জিলিংয়ে বিজেপি-র সভায় দাবি জিএনএলএফ কর্মীদের

স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান চাই, দার্জিলিংয়ে বিজেপি-র সভায় দাবি জিএনএলএফ কর্মীদের
দার্জিলিংয়ে বিজেপি-র সভা৷

এবারের নির্বাচনে পাহাড়ে মূলত দু'টি ইস্যুই প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর দু'টিই কেন্দ্রের হাতে।

  • Share this:

#দার্জিলিং: বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় উঠল একটিই দাবি। পিপিএস চাই, পিপিএস চাই! অর্থাৎ পার্মানেন্ট পলিটিক্যাল সলিউশন। পাহাড়ের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান চাই। আজ দার্জিলিংয়ের মোটর স্ট্যান্ডে বিজেপি-র সভায় আগাগোড়া এই দাবিতেই সরব ছিলেন জিএনএলএফ কর্মী সমর্থকেরা।

এবারের নির্বাচনে পাহাড়ে মূলত দু'টি ইস্যুই প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর দু'টিই কেন্দ্রের হাতে। এক পাহাড়ের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান, দুই ১১ জনজাতি গোষ্ঠীর তফসিলি জাতির স্বীকৃতি। প্রথম থেকেই এই দুই দাবfতে সরব হয়েছেন বিমল গুরুং, বিনয় তামাংরা। মাস দু'য়েক আগে দিল্লি সফরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকেও একই দাবি জানিয়ে এসছে পাহাড়ের এনডিএ'র পাঁচ জোট শরিক।

বিমল গুরুংয়ের কথায়, ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই আদর্শ আচরণ বিধি লাগু হয়ে যাবে। তার আগে কেন্দ্রকে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। বহুবার হচ্ছে, হবে বলে দায় এড়িয়েছে কেন্দ্র। স্রেফ ধোঁকা দিয়েছে পাহাড়বাসীকে। ভোট বিধি লাগু হওয়ার পরই প্রচারে ঝাঁঝ বাড়বে। তখনই নির্বাচনী রণকৌশল ঠিক হবে। বিনয় তামাংরাও একই দাবি জানিয়ে আসছেন। আর আজ বিজেপির জোট সঙ্গী জিএনএলএফ নেতা, কর্মীদের মুখেও সেই একই দাবি।


মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁদের আশ্বস্ত করতে হল দলীয় সভাপতি মন ঘিসিং, বিধায়ক নীরজ জিম্বাকে। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রের হাতেই রয়েছে যাবতীয় সব। তাই বিজেপির উপরেই আস্থা রাখতে হবে। বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, পাহাড়বাসীর দাবি মেটানোই তাঁর লক্ষ্য। সেই চেষ্টাই চালিয়ে আসছেন তিনি। অন্যদিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, পাহাড়ের দাবি সহানুভূতির সঙ্গে দেখছে দল। পাহাড়কে ভাল রাখাই তাদের লক্ষ্য। নির্বাচনী বিধি ঘোষণার আগে কেন্দ্র পাহাড়ের দুই ইস্যু নিয়ে কোন পথে হাঁটে, সেদিকেই তাকিয়েই সব পক্ষ। কেননা এবার পাহাড় দখলের লড়াইয়ে এই দুইই চাবিকাঠি। যদিও বিজেপি শিবির আজকের পাহাড়বাসীর উচ্ছ্বাস ও উৎসাহ দেখে বেশ খোশ মেজাজে।

Partha Pratim Sarkar

Published by:Debamoy Ghosh
First published: