প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক, বিয়েতে অরাজি হওয়ায় এবার ধর্নায় প্রেমিকা, তারপর যা হল..

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্কের পর বিয়ে করতে রাজী না হওয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসলেন প্রেমিকা।

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্কের পর বিয়ে করতে রাজী না হওয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসলেন প্রেমিকা।

  • Share this:

    #উত্তর দিনাজপুর: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্কের পর বিয়ে করতে রাজী না হওয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসলেন প্রেমিকা।ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া থানার ধিয়াগর গ্রামে।এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    জানা গিয়েছে,চোপড়া থানার কাচাকলি গ্রামের বাসিন্দা রমিসা খাতুনের ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল ধিয়াগর গ্রামের বাসিন্দা মনজর আলমের। দীর্ঘ দুই বছর তাদের এই সম্পর্ক।বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিলিগুড়ি সহ বিভিন্ন এলাকায় রাত্রিবাস করে। সম্প্রতি মনজর আলম পরিবারের চাপে সে বিয়ে থেকে পিছিয়ে আসে। এনিয়ে গ্রাম্য সালিশী থেকে পঞ্চায়েত সালিশী হয়।সবকিছুতেই মনজরকে দোষী সাব্যস্ত করে রমিসাকে বিয়ে করার নিদান দেন। কয়েকদিন যাবদ মনজরের সঙ্গে কোন যোগাযোগ না হওয়ায় আজ তার বাড়িতে পৌছে যায় রমিসা।মনজের পরিবার রমিসাকে মেরে গায়ে লঙ্কার গুঁড়া ছিটিয়ে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।বিয়ে করার দাবিতে মনজরের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেছে রমিসা। তার দাবি যতক্ষণ মনজর তাকে বিয়ে না করছে ততক্ষন সে এখানেই বসে থাকবেন।এলাকার মানুষ এবং স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতারাও জানিয়েছেন,সর্বসন্মতিক্রমে বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছিলেন। সিদ্ধান্ত মেনে না আইনের দারস্থ হবেন। মনজরের মায়ের অভিযোগ, প্রতিবেশীরা তার ছেলে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। ছেলে নির্দোষ।

    First published: