সামনে ভোট! গুচ্ছ প্রকল্পের শিলান্যাস মন্ত্রী গৌতম দেবের! উন্নয়ন নিয়ে চলছে প্রতিযোগিতা

সামনে ভোট! গুচ্ছ প্রকল্পের শিলান্যাস মন্ত্রী গৌতম দেবের! উন্নয়ন নিয়ে চলছে প্রতিযোগিতা

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ এখোনও চূড়ান্ত হয়নি। আগামী সপ্তাহেই দিন ঘোষণা হবে। তার আগে উন্নয়নের হিড়িক শহর শিলিগুড়িতে।

রীতিমতো প্রতিযোগিতা চলছে। একদিকে শিলিগুড়ি পুরসভা যেমন নতুন প্রকল্পের শিলান্যাস এবং উদ্বোধনে ব্যস্ত। ঠিক তেমনি বসে নেই শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষও। আজ ঘটা করে ২৭টি নতুন প্রকল্পের শিলান্যাস হল শিলিগুড়িতে। যার জন্য ব্যয় হবে ২ কোটি ৭ লক্ষ টাকা। যার মধ্যে রয়েছে শিলিগুড়ির বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, ড্রেন, কুমারটুলির টয়লেট ব্লক, খেলার মাঠ, স্কুলের গেট, পার্কের সৌন্দর্যায়ন, ফুটপাথ, নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু, স্বামী বিবেকানন্দ এবং ফুটবলের বরপুত্র প্রয়াত দিয়েগো আর্মান্দো মারাদোনার মূর্তি স্থাপন, কাঞ্চনজঙ্ঘা ক্রীড়াঙ্গন ময়দান লেভেল করা, বিদ্যুতায়ন, পথবাতি,  সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ইত্যাদি।

শহরজুড়েই চলবে উন্নয়ন। আগামিকাল থেকেই নতুন এই ২৭ টি প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। আজ শিলিগুড়ির বিধান রোডে ২৭টি নয়া প্রকল্পের শিলান্যাস করেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব। সঙ্গে ছিলেন  এসজেডিএ-র চেয়ারম্যান বিজয় চন্দ্র বর্মন , এসজেডিএ- র মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক সহ কয়েকটি ওয়ার্ডের কো অর্ডিনেটররা। মঞ্চ থেকেই বামেদের দখলে থাকা পুরসভার কাজের সমালোচনা করা হয়। শহরে পরিকল্পিত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি বলে অভিযোগ করেন পর্যটনমন্ত্রী থেকে শুরু করে কো-অর্ডিনেটরেরা।

তাঁদের অভিযোগ, বহুবার বলার পরও পুরসভার কোনও হেলদোল লক্ষ্য করা যায়নি। উলটে মহানন্দা নদীর ঘাটে অপরিকল্পিতভাবে সৌন্দার্যায়নের কাজ শুরু করেছে পুরসভা। এনিয়ে কোনও আলোচনা করেনি। পাশাপাশি কেন্দ্রের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, আর্থিক সহযোগিতা করছে না। তবু এসজেডিএ নিজস্ব অর্থ বরাদ্দ করে কাজ করে চলেছে। এবং প্রতিটি প্রকল্প শেষ করার সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। দ্রুত উন্নতমানের কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে ঘোষণা করেছেন এসজেডিএ- র আধিকারিকরাও। মন্ত্রী জানান, গুণগতমান যাচাই করা হবে। অন্যদিকে একগুচ্ছ প্রকল্পের শিলান্যাস নিয়ে বিরোধীরা একসুরে তৃণমূলকে আক্রমণ করে অভিযোগ করেন, ভোট আসতেই উন্নয়নের হিড়িক আদপে চমক ছাড়া কিছুই না।

Partha Pratim Sarkar

Published by:Debamoy Ghosh
First published:

লেটেস্ট খবর