• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • পরপর টেবিলে রাখা রয়েছে ডিম, সবজি, বিনামূল্যে তুলে নিচ্ছেন এলাকাবাসী!

পরপর টেবিলে রাখা রয়েছে ডিম, সবজি, বিনামূল্যে তুলে নিচ্ছেন এলাকাবাসী!

এর আগের এদেরই খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছিল। এখন তাদের জন্য এলাকায় বিনামূল্যে সবজি বাজার খুলে দেওয়া হল

এর আগের এদেরই খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছিল। এখন তাদের জন্য এলাকায় বিনামূল্যে সবজি বাজার খুলে দেওয়া হল

এর আগের এদেরই খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছিল। এখন তাদের জন্য এলাকায় বিনামূল্যে সবজি বাজার খুলে দেওয়া হল

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: লকডাউনের কারণে অনেকেই কাজ হারিয়েছেন। ফলে চরম সমস্যায় দিন কাটাচ্ছেন দুস্থ গরিব কর্মহীন মানুষ ও তাদের পরিবার। তাই এবারে তাদের পাশে দাঁড়ালেন রায়গঞ্জ পুরসভার কাউন্সিলর অর্নব মন্ডল। অর্নববাবু নিজের উদ্যোগে চালু করলেন বিনামূল্যের সবজি বাজার। এখানে বিভিন্ন ধরনের সবজি পাওয়া যাবে, যার জন্য কোনও মূল্য দিতে হবে না ক্রেতাদের৷ লকডাউনে যাতে কারও খাবারের সমস্যা না হয়, তাই এই উদ্যোগ।

রায়গঞ্জ পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা লকডাউনের কারণে কর্মহীন হয়ে পরেছেন। একদিকে কাজ নেই অন্যদিকে খাওয়াদাওয়া সমস্যা। এই ওয়ার্ডের মানুষেরা খুবই দুস্থ ও গরিব। কেউ দিন মজুরের কাজ করেন তো কেউ আবার ভ্যান চালান। আবার কেউ বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করে সংসার চালান। লকডাউনের জেরে তাদের রোজগার বন্ধ। ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন তারা। এই পরিস্থিতিতে ইন্দিরা কলোনির কয়েকশো পরিবারকে খাদ্যসঙ্কটের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। তাদের সাহায্যে এবার এগিয়ে এলেন স্থানীয় কাউন্সিলর।

ইন্দিরা কলোনি এলাকায় একটি জায়গায় পরপর লাইন করে সাজানো হয়েছে টেবিল। আর সেই টেবিলের উপর রাখা হয়েছে আলু, পেঁয়াজ, শাক, ডিম সহ ৯ রখম সব্জি। এলাকার সাধারণ মানুষ লাইন দিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে গিয়ে প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যাগে ভরে নিচ্ছেন। অর্ণব মন্ডল জানিয়েছেন, এই এলাকায় দারিদ্র্যসীমার নিচে অনেকেই রয়েছেন। লকডাউনের ফলে তারা কাজ হারিয়েছেন। সেই সব অসহায় মানুষের কথা ভেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এইভাবে ওয়ার্ডের প্রায় ৮০০ পরিবারকে খাবার দেওয়া হয়েছে। এর আগের এদেরই খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছিল। এখন তাদের জন্য এলাকায় বিনামূল্যে সবজি বাজার খুলে দেওয়া হল বলে জানান অর্ণববাবু। এলাকাবাসী প্রদীপ দাস জানিয়েছেন, এই লকডাউনের কারণে ঘরবন্দি হয়ে বসে আছেন। কাজকর্ম সব বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আগের অর্ণববাবু তাদের জন্য খাদ্যসামগ্রী দিয়েছিলেন। তা দিয়ে কিছুদিন  সংসার চালিয়েছেন তারা। এবার এলাকার মানুষদের জন্য বিনা পয়সার বাজার করে দেওয়া খুশি বলে জানান প্রদীপবাবু।

Published by:Pooja Basu
First published: