মালদহে জোটে জট অব্যাহত! কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই কিনা সিদ্ধান্ত ফরওয়ার্ড ব্লক রাজ্য কমিটির

মালদহে জোটে জট অব্যাহত! কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই কিনা সিদ্ধান্ত ফরওয়ার্ড ব্লক রাজ্য কমিটির

মালদহে "বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই" অর্থাৎ ফরওয়ার্ড ব্লক আলাদা করে প্রার্থী দেবে কিনা তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রাজ্য কমিটি নেবে বলে বৈঠকের পর জানিয়েছেন রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য তথা মালদহের পর্যবেক্ষক হাফিজ আলম সাইরানি।

মালদহে "বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই" অর্থাৎ ফরওয়ার্ড ব্লক আলাদা করে প্রার্থী দেবে কিনা তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রাজ্য কমিটি নেবে বলে বৈঠকের পর জানিয়েছেন রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য তথা মালদহের পর্যবেক্ষক হাফিজ আলম সাইরানি।

  • Share this:

#মালদহঃ মালদহের বাম-কংগ্রেসের জোটে জট কাটল না। উল্টে মালদহে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আলাদা করে প্রার্থী দেওয়ার জন্য রাজ্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে ফরওয়ার্ড ব্লকের বৈঠকে সওয়াল করলেন নেতাকর্মীরা। সূত্রের খবর, বৈঠকে সিপিএমের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করা হয়েছে। মালদহে "বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই"  অর্থাৎ ফরওয়ার্ড ব্লক আলাদা করে প্রার্থী দেবে কিনা তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রাজ্য কমিটি নেবে বলে বৈঠকের পর জানিয়েছেন রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য তথা মালদহের পর্যবেক্ষক হাফিজ আলম সাইরানি।

আসন বন্টন নিয়ে মালদহে দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে রাগ, দুঃখ, অভিমান রয়েছে জানান তিনি। নেতাকর্মীদের এই মনোভাবের রিপোর্ট রাজ্য নেতৃত্বেকে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন জেলা পর্যবেক্ষক। ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর এবং মালতিপুর এই দুটি বিধানসভা আসনে "বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই" হয়েছিল। দুই শরিকের জেতা আসনে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে প্রার্থী দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। প্রতিবাদে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আলাদা করে প্রার্থী দিয়ে ভোটে নামে দুই বাম শরিক ফরওয়ার্ড ব্লক ও আরএসপি। এমনকি সিপিএমকেও শরিকদের পক্ষ নিয়ে ভোট ময়দানে প্রচারে নামতে হয়েছিল। হরিশ্চন্দ্রপুর আসনে দলীয় প্রার্থী দাঁড় করিয়েছিল ফরওয়ার্ড ব্লক। যদিও শেষ পর্যন্ত ২০১৬  সালে দুই আসনই জিতে নেয় কংগ্রেস। এবারও জেলায় কোনও আসন না পেয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ফরওয়ার্ড ব্লক। দলের ওপর চাপ বাড়িয়ে কংগ্রেস ও সিপিএমের মধ্যে একতরফা জোটের প্রতিবাদ জানিয়ে ইস্তফা দিয়েছেন ফরওয়ার্ড ব্লকের জেলা সম্পাদক শ্রীমন্ত মিত্র।

এমতাবস্থায় আজ মালদহে ফরওয়ার্ড ব্লকের জেলা বর্ধিত কমিটির বৈঠক বসে। এই বৈঠকে হাজির হন রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য তথা মালদহ জেলা পর্যবেক্ষক হাফিজ আলম সাইরানি। বৈঠকের পর তাঁর গলাতেও ক্ষোভের আঁচ পাওয়া যায়। সংবাদমাধ্যমকে সাইরানি বলেন, এ বারের জোট যেভাবে হওয়া উচিত ছিল তা হয়নি। প্রত্যেকের আবেগ-অনুভূতি, ইচ্ছে অনিচ্ছেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে খামতি থেকে গিয়েছে। আর এ কারণেই অনেক জায়গায় প্রশ্ন উঠছে। মালদহতেও ক্ষোভ, রাগ, অভিমান তৈরি হয়েছে। সিপিএমের ভূমিকায় ক্ষোভ জানিয়ে তিনি বলেন, সিপিএমের বোঝা উচিত আমরা পুরনো সঙ্গী। ৪০ বছর ধরে সুখে দুঃখে আমরা একসঙ্গে রয়েছি। প্রত্যেকের আবেগ-অনুভূতিকে শেয়ার করা বড় শরিক হিসেবে সিপিএমের দায়িত্ব। মালদহে বৈঠকের পর তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য ফরওয়ার্ড ব্লক পর্যবেক্ষকের। এ দিনের বৈঠকে দলের জেলা সম্পাদক শ্রীমন্ত মিত্রকে স্বপদে কাজ চালিয়ে দেওয়ার জন্য আর্জি জানান রাজ্য নেতা সাইরানি।

Sebak DebSarma

Published by:Shubhagata Dey
First published: