corona virus btn
corona virus btn
Loading

শিলিগুড়ির মাছের আড়ত কার্যত কন্টেইনমেন্ট জোন, বন্ধ থাকবে টানা ৭ দিন

শিলিগুড়ির মাছের আড়ত কার্যত কন্টেইনমেন্ট জোন, বন্ধ থাকবে টানা ৭ দিন

শিলিগুড়ির ৪৪, ৪৫, ৪৬ নং ওয়ার্ডের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত। যাদের সঙ্গে যোগ রয়েছে মাছের আড়তের।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: করোনার জের। শুক্রবার থেকে বন্ধ শিলিগুড়ির বড় মাছের আড়ত। রেগুলেটেড মার্কেটের মাছের আড়ত টানা ৭ দিন বন্ধ রাখার নির্দেশ জেলা প্রশাসনের। এখান থেকে শহর তো বটেই পাহাড়েও মাছ রফতানি হত। এমনকি সিকিমেও রফতানি হত রকমারি মাছ। কিন্তু এক আড়তদারের করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু এবং বেশ কয়েকজন আক্রান্ত হওয়ায় প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত।

শিলিগুড়ির ৪৪, ৪৫, ৪৬ নং ওয়ার্ডের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত। যাদের সঙ্গে যোগ রয়েছে মাছের আড়তের। শিলিগুড়ির ১২ নং ওয়ার্ডের শেঠ শ্রীলাল মার্কেটের আক্রান্ত দরজিরও যোগ রয়েছে আড়তের সঙ্গে। লকডাউনের সময়ে তিনিও মাছের ব্যবসা করেছিলেন। তাই ঝাপ বন্ধ আড়তের।

আর্থিক ক্ষতির মুখে মাছ ব্যবসায়ীরা। তবু তারা করোনা মোকাবিলায় প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ভোজন রসিক বাঙালির পাতে আপাতত থাকছে না ইলিশ, কাতলা, আর, পাবদা, চিঙড়ি, বোয়াল। এদিন গোটা মাছের আড়ত স্যানিটাইজ করা হয়। লাগাতার এই প্রক্রিয়া চলবে। বাঁশের ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়েছে। মাছের আড়ত কার্যত কনটেইনমেন্ট জোন।

দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক জানান, ৭ দিন পর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হবে। তবে ব্যবসায়ীদের কথা মাথায় রেখে কিছু পদক্ষেপ নিয়ে খোলা হবে আড়ত। তবে ১০০ শতাংশ কোভিড প্রোটোকল মেনে। মাছের আড়তে সোশ্যাল ডিস্টেনশিং মানা হচ্ছিল না বলে অভিযোগ উঠেছিল। কার্যত গা ঘেঁষে চলছিল মাছের নিলাম। অনেক ব্যবসায়ী মাস্ক বা ফেস কভারও ব্যবহার করত না বলেও অভিযোগ উঠেছিল। কয়েক দফায় শিলিগুড়ির মহকুমা শাসক রেগুলেটেড মার্কেট পরিদর্শনেও যান। যেহেতু অধিকাংশ গাড়িই আসত ভিন রাজ্য থেকে। স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়ছিল। তাই আজ থেকে ৭ দিন বন্ধ থাকবে মাছের আড়ত। তবে শহরের বাজারে মিলছে নদীয়ালি মাছ এবং গঙ্গারামপুরের রুই, কাতল। কিছু ব্যবসায়ী সরাসরি কলকাতা থেকেও মাছ আনছে। বিধান মার্কেটের এক মাছ ব্যবসায়ী জানান, মাছের ঘাটতি তো থাকবেই।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: June 12, 2020, 10:21 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर