গ্যাস সিলিন্ডারের গাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আহত একজন

আগুনে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

আগুনে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: গ্যাস সিলিন্ডারের গাড়িতে বিধ্বংশী অগ্নিকাণ্ডে (gas cylinder blast) এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আগুনে আহত হয়েছে এক ব্যাক্তি। রায়গঞ্জ থেকে দমকলের দুটি ইঞ্জিন গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। গ্যাসের আগুনে একটি বাড়ি এবং রাস্তার ধারে বেশ কয়েকটি খড়ের গাদায় আগুন লেগে যায়। রায়গঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জাতীয় সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। কীভাবে আগুন লাগল পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে রায়গঞ্জ থানার মহাদেবপুর গ্রামে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে ভদা রায় নামে এক গ্যাস ব্যাবসায়ীর বাড়িতে একটি গাড়ি গ্যাস সিলিন্ডার নামতে এসেছিল। গ্যাস সিলিন্ডার নামানোর আগে গাড়িতে আগুন লেগে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে আগুন ভয়াবহ আকার ধারন করে। স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। গ্যাস সিলিন্ডার ব্লাষ্ট করার সঙ্গে সঙ্গে বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর দেওয়া রায়গঞ্জ দমকল বিভাগকে। বেশ কিছুক্ষণ বাদে দমকলের দুটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দমকল কর্মীদের বেশ কিছুক্ষণের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে আগুন বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে। সেই আগুনে ভদা রায় বাড়িতে আগুন লেগে যায়। এছাড়াও জাতীয় সড়কের ধারে থাকা বেশ কয়েকটি খড়ের গাদায় আগুন লেগে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী বিপুল বর্মন জানান, জাতীয় সড়কের ধারে তারা দাঁড়িয়ে ছিলেন। আচমকাই গাড়ির নীচ থেকে খড় থেকে আগুন দেখেন। সেই আগুন কিছুক্ষণের মধ্যে গাড়িতে লেগে যায়। গাড়িতে আগুন লাগার পর বালতি দিয়ে জল এনে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্ত গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে যাবার পর ভয়ে তারা অন্যত্র পালিয়ে যান।

আগুনে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তাঁকে রায়গঞ্জ গভঃ মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে।এলাকার বাসিন্দা উত্তম দেবপাল জানান, ভদা রায় এই এলাকায় গ্যাস সরবরাহের কাজ করেন। অন্যদিনের মত বৃহস্পতিবার একগাড়ি ভর্তি গ্যাস সিলিন্ডার এসেছিল। আচমকাই গ্যাস সিলিন্ডারের গাড়িতে আগুন লেগে গেছে। কীভাবে আগুন লাগল তা তারা বুঝতে পারছেন না। রায়গঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। দমকল কর্মীদের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এই ঘটনায় নতুন করে আর যাতে কোন সমস্যা না হয় সেজন্য ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল সেইসময়।

Published by:Pooja Basu
First published: