corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনার কাঁটা, শ্বশুরবাড়িতে ঢুকতে না পেরে শ্মশানে দিন কাটাচ্ছেন জামাইরাজা!

করোনার কাঁটা, শ্বশুরবাড়িতে ঢুকতে না পেরে শ্মশানে দিন কাটাচ্ছেন জামাইরাজা!
Representative Image

জামাইয়ের এমন কাণ্ড কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে!

  • Share this:

#আলিপুরদুয়ার: শিলিগুড়ি থেকে এসেছেন জামাই। তাই করোনা সংক্রমণের ভয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে শ্বশুরবাড়িতেই ঢুকতে দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ জামাইয়ের। এদিকে , জামাইও নাছোড়বান্দা। শ্বশুরবাড়িতে ঢোকার অপেক্ষায় রাস্তার পাশের শ্মশানে ১৬ দিন ধরে পড়ে রয়েছেন তিনি। আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট বীরপাড়া ব্লকের ইসলামাবাদ গ্রামের সূত্রধরপাড়ার ঘটনা৷ স্থানীয় ক্ষীতিশ সূত্রধরের জামাইয়ের এমন কাণ্ড কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে!

ক্ষিতীশবাবুর জামাই গোবিন্দ সরকার জানান, তাঁর বাড়ি মৌলানিতে । একটি মদের দোকানে কাজ করতেন তিনি। করোনা নিয়ে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির জেরে কাজ হারিয়েছেন৷ তাই শ্বশুরবাড়িতে চলে আসেন জামাই। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে বাপের বাড়িতেই থাকেন তাঁর স্ত্রী । তাঁর সন্তানরাও সেখানকার স্কুলে পড়াশোনা করে । গোবিন্দবাবু বলেন, "শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে শ্বশুরবাড়িতে ঢুকতে দিচ্ছেন না। আমি ঢুকলে নাকি করোনা ছড়াবে । স্ত্রী এবং  ছেলেদের কাছেও যেতে দিচ্ছেন না তাঁরা । গ্রামবাসীদের কাছে চেয়ে খাচ্ছি । আর শ্মশান যাত্রীদের প্রতীক্ষালয়ে পড়ে রয়েছি ১৬ দিন ধরে।" এদিকে তাঁর স্ত্রী সরস্বতী সূত্রধর সরকার বলেন, "ও বাড়িতে ঢুকলে তো আমাদেরও ভাইরাস ধরবে । তাই ওকে বাড়িতে ঢুকতে দেব না ।"

গোবিন্দবাবুর শ্যালক রাজেন সূত্রধর বলেন যে, লকডাউন শুরু হওয়ার পর জামাই তাদের বাড়িতে এসেছিলেন৷ এবং তখন সেখানে তিনি থেকে যান, চেয়েছিলেন বাড়ির সকলে৷ তবে বাড়ি থেকে বাইরে গেলে আর সেখানে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করা হয়৷ কারণ বর্তমান পরিস্থিতিতে এতে সমস্যা হতে পারে। তবে শ্বশুরবাড়ির লোকের কথা তখন গ্রাহ্য না করে জামাইবাবু শিলিগুড়ি চলে যান। এরপরে ফিরে এলেও তাই বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি গোবিন্দবাবুকে৷ এছাড়া গোবিন্দবাবুর শ্বশুরবাড়ি সূত্রের খবর,  গোবিন্দবাবুর সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর তেমন বনিবনাও নেই। গোবিন্দবাবু নেশা করে তাঁর স্ত্রীকে নির্যাতন করেন বলেও অভিযোগ তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের। গোবিন্দবাবু অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

Published by: Pooja Basu
First published: July 19, 2020, 12:31 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर