গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে, গ্রেফতার শ্বশুর

মৃতার পরিবারের অভিযোগ, নিজেদের পচ্ছন্দ করে বিয়ে করলেও বিয়ের পর থেকে মোটরবাইক এবং নগদ দুই লক্ষ টাকা পনের দাবিতে মেয়ের উপর শারিরিক অত্যাচার করত বলে অভিযোগ।

মৃতার পরিবারের অভিযোগ, নিজেদের পচ্ছন্দ করে বিয়ে করলেও বিয়ের পর থেকে মোটরবাইক এবং নগদ দুই লক্ষ টাকা পনের দাবিতে মেয়ের উপর শারিরিক অত্যাচার করত বলে অভিযোগ।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।মৃতার পরিবার শ্বশুর বাড়ির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে।ঘটনাটি রায়গঞ্জ থানার শেরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বন্যাপাড়া গ্রামে।পুলিশ মৃতার শ্বশুরকে গ্রেফতার করেছে।ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

জানা গেছে, বছর দুয়েক আগে রায়গঞ্জ থানার শেরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বন্যাপাড়া গ্রামের গোপাল বর্মনের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ওই গ্রামের বাসিন্দা শীতলা বর্মনের। মৃতার পরিবারের অভিযোগ, নিজেদের পচ্ছন্দ করে বিয়ে করলেও বিয়ের পর থেকে মোটরবাইক এবং নগদ দুই লক্ষ টাকা পনের দাবিতে মেয়ের উপর শারিরিক অত্যাচার করত বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে মিমাংসা করা হলেও সমস্যা মেটে নি।গতকাল রাতে কীটনাশক ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়।আশঙ্কাজনক অবস্থায়  শীতলা বর্মনকে প্রথমে রায়গঞ্জ গভঃ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করে।অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রায়গঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

মৃতার পরিবার শ্বামী,শ্বশুর, শ্বাশুড়ির বিরুদ্ধে রায়গঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।পুলিশ এই অভিযোগের ভিত্তিতে মৃতার শ্বশুর আনন্দ বর্মনকে গ্রেফতার করে। মৃতার দাদা তপন বর্মনের অভিযোগ, বোনকে বিষ খাইয়ে শ্বশুরবাড়ি লোকেরা হত্যা করেছে।অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন।তবে মৃতার শ্বশুর আনন্দ বর্মনের দাবি বৌমার মৃত্যুতে পরিবারের কেউ দায়ি নয়। স্বামী এবং স্ত্রী মধ্যে সামান্য গন্ডোগোল হয়েছিল। দুজনের মধ্যে বিবাদের জেরে বৌমা আত্মহত্যার পথ বেছে নিল। ঘটনার সময় তিনি বাড়ির বাইরে ছিলেন। ঘটনার খবর পেয়ে তিনি তড়িঘড়ি বাড়িতে ফেরেন।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: