corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে থমকে রফতানি, বিপাকে সীমান্তের লঙ্কা চাষীরা

লকডাউনে থমকে রফতানি, বিপাকে সীমান্তের লঙ্কা চাষীরা

এক মাসের বেশি সময় ধরে চলছে লকডাউন। এর জেরে বিপাকে ধীমালরাও। উৎপাদিত এই বিশেষ ধরনের লঙ্কা দিয়ে আচার তৈরি হয়।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: বিশেষ ধরনের লাল ছোটো লঙ্কা বিক্রি করেই চলত ওদের সংসার। এলাকাজুড়েই চাষ হয়ে থাকে এই বিশেষ ধরনের লঙ্কা। যার চাহিদা বিদেশেও। রফতানি করে মোটা অঙ্কের অর্থ উপার্জন হত। তা দিয়েই দিব্বি চলতো সংসারের খরচ। করোনার থাবায় এবারে চরম সংকটে লঙ্কা চাষীরা। ভারত-নেপাল সীমান্ত লাগোয়া নকশালবাড়ির একটি গ্রামেই চাষ হয় এই বিশেষ প্রজাতির লাল লঙ্কা। প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই এর চাষ হয়ে থাকে। ওরা লুপ্তরায় ধীমাল জনজাতি।

এক মাসের বেশি সময় ধরে চলছে লকডাউন। এর জেরে বিপাকে ধীমালরাও। উৎপাদিত এই বিশেষ ধরনের লঙ্কা দিয়ে আচার তৈরি হয়। যার চাহিদা নেপালজুড়ে। প্রতি বছরই কয়েক মণ লঙ্কা রফতানি হত নেপালে। লকডাউনের জেরে বন্ধ ইন্দো-নেপাল সীমান্ত। বন্ধ যান চলাচল। নেপাল থেকে ব্যবসায়ীরা এসে লঙ্কা কিনে নিজেদের দেশে ফিরতো। আজ সেখানে ফুলস্টপ পড়েছে। মাথায় হাত লঙ্কা ব্যবসায়ীদের। আবার এখান থেকে লঙ্কা রপ্তানী হত সিকিমেই। লকডাউনের বহু দিন আগে থেকেই সিকিম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দেশের মধ্যে সিকিমই প্রথম করোনা ফ্রি রাজ্য হিসেবে ঘোষিত। লকডাউন উঠলেও আগামী অক্টোবর পর্যন্ত পর্যটকদের প্রবেশে "না" নির্দেশিকা জারি করেছে সিকিম প্রশাসন। আর তাই সিকিমে আপাতত লঙ্কা পাঠাতে পারবে না নকশালবাড়ির চাষীরা।

আর তাই এখন দুশ্চিন্তা তাড়া করে বেড়াচ্ছে লঙ্কা চাষীদের। ক্ষেতেই পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে হাজার হাজার টাকার লঙ্কা। দু'বেলা কি খাবেন? ভাবাচ্ছে ওদের। ভরসা বলতে রেশন সামগ্রী। কিন্তু তা দিয়ে কি আর সংসার চলে। স্থানীয় লঙ্কা চাষী দয়া সিংহ জানান, খুবই কষ্টে চলছে সংসার। রেশন সামগ্রীও মিলছে সামান্য। কোনোরকমে দু'বেলা খাবার জুটছে। কবে লকডাউন উঠবে? এই প্রশ্নটাই ঘুরছে ওদের মুখে মুখে। তবে করোনা সতর্কতা হিসেবে সরকারী নির্দেশিকা মেনে চলছে ওরা। নিজেদের ঘর বন্দী রেখেছেন ওরা।

First published: May 2, 2020, 9:24 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर