Sitalkuchi Firing Case: জাল গোটাচ্ছে শীতলকুচি তদন্ত? তৎকালীন পুলিশ সুপারকে তলব! তীব্র জল্পনা

শীতলকুচি নিয়ে নাছোড় মমতা

Sitalkuchi Firing Case: ক্ষমতায় এসেই দেবাশিসকে পুলিশ সুপারের পদ থেকে সরিয়ে দেন মমতা। এবার শীতলকুচি তদন্তে তাঁকে তলবও করা হল।

  • Share this:

    #শীতলকুচি: কথা দিয়েছিলেন। আর তৃতীয় বার বিপুল জয়লাভ করে ক্ষমতায় এসেই শীতলকুচি তদন্ত নিয়ে কথা রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ভোটের দিন কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে (Sitalkuchi Firing) চার জনের মৃত্যুর ঘটনার পর থেকেই শুরু থেকেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মমতা। জানিয়ে দিয়েছিলেন, ক্ষমতায় আসা মাত্রই শীতলকুচি নিয়ে তদন্ত করাবেন তিনি। আর তা হয়েওছে। সিটের তত্ত্বাবধানে জোর কদমে চলছে তদন্ত। এবার সেই সূত্রেই কোচবিহারের তৎকালীন পুলিশ সুপার দেবাশিস ধরকে তলব করা হল। আগামী ১৮ জুন তাঁকে ভবানীভবনে তলব করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, শীতলকুচির ঘটনার দিনই পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন মমতা। তৎকালীন পুলিশ সুপার দেবাশিস সরকার বিজেপির হয়ে কাজ করছেন বলেও অভিযোগ ছিল তাঁর। তাই ক্ষমতায় এসেই দেবাশিসকে পুলিশ সুপারের পদ থেকে সরিয়ে দেন মমতা। এবার শীতলকুচি তদন্তে তাঁকে তলবও করা হল।

    শীতলকুচি তদন্তে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের থেকে শুরু করে 'অভিযুক্ত' পুলিশ-প্রশাসনের কর্তাদেরও পড়তে হচ্ছে তদন্তের মুখে। এরই মধ্যে শীতলকুচি কাণ্ডের তদন্তে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, শীতলকুচির ওই বুথের ভিতরেও পাওয়া গিয়েছে গুলির চিহ্ন। সেই গুলি কে চালালো, কোথা থেকে চালানো হয়েছিল, কোন আগ্নেয়াস্ত্র থেকে চালানো হয়েছিল, সেই বিষয়গুলিই এবার তদন্ত করে দেখছে সিআইডি। সেই সূত্রে তৎকালীন পুলিশ সুপারের কাছেও জানতে চাওয়া হবে, কার নির্দেশে গুলি চালানো হয়েছিল, গুলি চালানোর সময় তাঁর ভূমিকাই বা কী ছিল।

    প্রসঙ্গত, শীতলকুচিতে গুলি চালনার ঘটনা প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফে দাবি করা হয়েছিল, শীতলকুচির ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে জটলা সরাতে গেলে গ্রামবাসীদের একাংশ ঘিরে ধরে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। তাই নিজেদের আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালাতে হয়েছিল বাহিনীকে। আর সেই বিষয়টি নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। যদি বুথের বাইরেই সমস্যা হয়ে থাকে, তাহলে বুথের ভিতরের ব্ল্যাকবোর্ডে কীভাবে মিলল গুলির চিহ্ন? শীতলকুচিতে গিয়ে সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখেছে ব্যালেস্টিক টিম।

    ওই ঘটনায় এর আগে জেরা করা হয়েছে মাথাভাঙা থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকারকে৷ ঘটনার দিন আরটি মোবাইল অফিসার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন এসআই গোবিন্দ মণ্ডল। তাঁর ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিভিন্ন অফিসারের কাছে সিআইডি-র প্রশ্ন ছিল, ঘটনার দিন সত্যিই গ্রামবাসীদের তরফে অশান্তিতে কোনও প্ররোচনা দেওয়া হয়েছিল কি না৷ কী এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে, বিকল্প কোনও পথে না হেঁটে সরাসরি গুলি চালাতে হল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে?

    Published by:Suman Biswas
    First published: