corona virus btn
corona virus btn
Loading

বর্ষা মানেই একরাশ আতঙ্ক, নদীর বুকে ভাঙনের শব্দে আতঙ্কে বাংলা

বর্ষা মানেই একরাশ আতঙ্ক, নদীর বুকে ভাঙনের শব্দে আতঙ্কে বাংলা

বর্ষা এলেই একরাশ আতঙ্ক। ভাগীরথীর চোখ রাঙানি। গঙ্গার রুদ্ররূপ। এই বুঝি গিলে খেল ঘরবাড়ি, চাষের জমি। মালদহ, নদিয়া, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারের বুকে এখন ভাঙনের শব্দ।

  • Share this:

#কলকাতা: বর্ষা এলেই একরাশ আতঙ্ক। ভাগীরথীর চোখ রাঙানি। গঙ্গার রুদ্ররূপ। এই বুঝি গিলে খেল ঘরবাড়ি, চাষের জমি। মালদহ,  নদিয়া, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারের বুকে এখন ভাঙনের শব্দ।   ভাঙনে তলিয়ে গিয়েছে কয়েক বিঘা চাষের জমি। আতঙ্কে ঘুম উড়েছে নদী পাড়ের বাসিন্দাদের।

বছর ঘোরে। কিন্তু, কপাল ফেরে না নদী পাড়ের বাসিন্দাদের। বর্ষার মরশুমে ভাঙনই যেন অদৃষ্ট। ঘর, বাড়ি, গবাদি পশু থেকে খেতের ফসল। নদী গিলে খায় সব। তারপরও হুঁশ ফেরে না প্রশাসনের। মালদহ
বৈষ্ণবনগর ও দুর্গারামতলার ২১০ মিটার  এলাকা বিপজ্জনক ঘোষণা করেছিল ফরাক্কা ব্যারাজ কর্তৃপক্ষ।  চলছিল ভাঙন রোধের কাজ।  শুক্রবার রাত থেকে এই এলাকার বাইরের অংশে নতুন করে শুরু হয় ভাঙন। একটু একটু করে এগোচ্ছে গঙ্গা। তলিয়ে গিয়েছে প্রায় ৭০ মিটার এলাকা। এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভের মুখে পড়েন ফরাক্কার জিএম। কাজ বন্ধ করে চলে বিক্ষোভ। নদিয়া বর্ষা মানেই ভাগীরথীর ভয়াল রূপ। শান্তিপুরের একাধিক এলাকায় ভাঙছে নদীর পাড়। তলিয়ে গিয়েছে গুপ্তিপাড়া সংলগ্ন কয়েক বিঘা চাষের জমি। টেংরিডাঙা, ভোলাডাঙা, শ্রীরামপুর, সূত্রাগড়েও শুরু হয়েছে ভাঙন। আলিপুরদুয়ার টানা বৃষ্টিতে জল বেড়েছে নদীগুলিতে। ভয়ংকর হয়ে উঠছে মুজনাই নদী। নদীর গ্রাসে জটেশ্বর দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা।  জলে তলিয়ে গিয়েছে নবনগর এলাকায় চল্লিশ বিঘা জমি।  ডুবে গিয়েছে জটেশ্বর ফার্ম হাউসও। আতঙ্কের প্রহর গুনছে ৭০টি পরিবার। কোচবিহার বৃষ্টি কমতেই ভাঙনে জেরবার কোচবিহার। তোর্সা নদীর জল কমতেই ভাঙছে পাড়। সঙ্গে ভাঙছে মাথা গোজার ঠাঁই-ও। শেষ সম্বলটুকু নিয়ে আশ্রয় নিতে হচ্ছে বাঁধে। চোখের সামনে খড়কুটোর মত ভেসে যাচ্ছে বাড়ি। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পাটাকুড়া এলাকা। আতঙ্কে ৩০টি পরিবার। ভাঙন মানেই কান্না। ভাঙন মানেই সব হারানোর যন্ত্রণা। আর কতদিন? উত্তর খোঁজে নদী পাড়ের বাসিন্দারা।
First published: July 27, 2019, 5:40 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर