নতুন বছরে পর্যটকদের সেরা উপহার...গজলডোবায় শুরু হচ্ছে হাতি সাফারি

নতুন বছরে পর্যটকদের সেরা উপহার...গজলডোবায় শুরু হচ্ছে হাতি সাফারি

নতুন বছরের প্রথম দিনেই শুরু হবে নয়া সাফারি

  • Share this:

PARTHA PRATIM SARKAR

#শিলিগুড়ি: গজলডোবায় ভোরের আলোয় এবার চালু হচ্ছে হাতি সাফারি। নতুন বছরের প্রথম দিনেই শুরু হবে নয়া সাফারি। উত্তরবঙ্গের জলদাপাড়া অভয়ারণ্য, গরুমারা ন্যাশনাল পার্কের পর বেঙ্গল সাফারি পার্কে হাতি সাফারি রয়েছে যা পর্যটকদের কাছে বরাবরই অন্যতম আকর্ষণ। সুকনা জঙ্গলে সাফারি চালু হলেও তা এখন বন্ধ। এবারে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প ভোরের আলোয় হাতির পিঠে চেপে পর্যটকেরা ঘুরতে পারবে। ভোরের আলো থেকে শুরু করে সরস্বতীপুর চা বাগান ঘেঁষা বৈকুণ্ঠপুর জঙ্গলে হবে হাতি সাফারি। ফের জঙ্গল ঘুরে ফিরে আসবে ভোরের আলোয়। এজন্য গজলডোবায় তৈরী করা হয়েছে পিলখানাও। চলছে পুরোদস্তুর প্রস্তুতি। নয়া বছরে পর্যটকদের নতুন উপহার দিতে চলেছে বন এবং পর্যটন দফতর। এজন্য চারটি প্রশিক্ষিত হাতি আনা হচ্ছে ভোরের আলোয়। জলদাপাড়া অভয়ারণ্য থেকে আনা হচ্ছে চারটি হাতি। আসছে প্রশিক্ষিত মাহুতেরাও।

পার্ক এণ্ড গার্ডেন্সের ডি এফ ও অঞ্জন গুহ জানান, সবকিছুর প্রস্তুতি চলছে। রুটও প্রায় তৈরী। তবে এখনও হাতি সাফারির জন্য মাথাপিছু কত টাকা খরচ পড়বে তা চূড়ান্ত হয়নি। ভোরের আলো ইতিমধ্যেই পর্যটনের মানচিত্রে দাগ কেটেছে। হাতি সাফারি চালু হলে পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। তার আগে চলতি বছরেই গজলডোবায় বেসরকারি উদ্যোগে তিনতারা হোটেল চালু হচ্ছে। পর্যটকদের থাকার কোনো অসুবিধেও হবে না। ভোরের আলোয় সরকারি কটেজগুলো প্রায় সবসময়েই বুকড থাকে। হাতি সাফারি চালু হলে পর্যটকদের ভিড় কয়েকগুন বাড়বে বলে পর্যটন দফতরের দাবি। বেঙ্গল সাফারি পার্ক হয়েও গজলডোবায় যাওয়ার জঙ্গল পথও প্রায় তৈরী। ১৩ কিলোমিটার জঙ্গল পথ ধরে পর্যটকেরা পৌঁছতে পারবে ভোরের আলোয়। সবমিলিয়ে ক্রমেই পর্যটকদের কাছে গুরুত্ব বাড়তে চলেছে গজলডোবার। পর্যটকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে গজলডোবায় চালু হচ্ছে নৌকা বিহারও। তিস্তা নদীর বুকে নৌকায় চেপে ঘোরার মজাই আলাদা। নতুন প্রকল্প যৌথভাবে চালু করতে চলেছে পর্যটন ও বন দফতর। ইতিমধ্যেই কিছু পরিকল্পনার নকশাও তৈরী হয়ে গিয়েছে।

First published: December 22, 2019, 11:44 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर