উত্তরবঙ্গের স্বপ্ন পূরণ, এনজেপি থেকে শিয়ালদহ এবং হাওড়ার মধ্যে চালু হচ্ছে বৈদ্যুতিক ট্রেন

উত্তরবঙ্গের স্বপ্ন পূরণ, এনজেপি থেকে শিয়ালদহ এবং হাওড়ার মধ্যে চালু হচ্ছে বৈদ্যুতিক ট্রেন

চলতি মাসেই এনজেপি থেকে শিয়ালদহ এবং হাওড়ার মধ্যে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালু হচ্ছে

  • Share this:

Partha Pratim Sarkar

#নিউ জলপাইগুড়ি: বৈদ্যুতিক ট্রেন পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে এনজেপি স্টেশন। চলতি মাসেই এনজেপি থেকে শিয়ালদহ এবং হাওড়ার মধ্যে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালু হচ্ছে। কাটিহার থেকে এনজেপি এবং গুঞ্জরিয়া থেকে এনজেপি পর্যন্ত বৈদ্যুতিক লাইনের কাজ শেষ। ট্রায়াল রানও হয়েছে। রেলের সেফটি কমিটি সবুজ সঙ্কেত দেওয়ার পরই উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল বৈদ্যুতিক ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গত ২৫ ডিসেম্বর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে মালগাড়ি ছুটছে। এবারে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু করবে আপ এবং ডাউন লাইনে। প্রথম পর্যায়ে এনজেপি থেকে হাওড়া পর্যন্ত শতাব্দী এক্সপ্রেস, এনজেপি-হাওড়া এসি এক্সপ্রেস এবং এনজেপি-মালদহ প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলবে। আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে এই পরিষেবা চালু হবে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। ওইদিনই এনজেপি আসবেন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের জেনারেল ম্যানেজার সঞ্জীব রায়। তিনিই এই পরিষেবার উদ্বোধন করবেন।

দ্বিতীয় পর্যায়ে, চলতি মাসেই দার্জিলিং মেল এবং পদাতিক এক্সপ্রেসও |বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনে চলবে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। গত বছরের নভেম্বরের শেষ দিকে রেল লাইনে বিদ্যুতায়নের কাজ শেষ হয়েছে। গুঞ্জরিয়া থেকে এনজেপি পর্যন্ত ট্রায়াল রানও হয়েছে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শুভানন চন্দ জানান, আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে এনজেপি থেকে শিয়ালদহ এবং হাওড়ার মধ্যে বৈদ্যুতিক ট্রেন চলাচল শুরু করবে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এখন শেষ মূহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। যেসব সেকশনে মেরামতির কাজ বাকি রয়েছে তা জেনারেল ম্যানেজারের সফরের আগেই সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনে ট্রেন চলাচল শুরু হলে জ্বালানির খরচ যেমন কমবে, তেমনি দূষণও নিয়ন্ত্রিত হবে। পাশাপাশি, কম সময়ে এনজেপি থেকে শিয়ালদহ এবং হাওড়ায় পৌঁছানো যাবে। পরবর্তী পর্যায়ে এনজেপি থেকে গুয়াহাটির মধ্যেও বৈদ্যুতিক ট্রেন পরিষেবা চালু হবে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। জোর গতিতে বিদ্যুতায়নের কাজ চলছে। উত্তরবঙ্গবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী ছিল বৈদ্যুতিক ট্রেন... অবশেষে সেই স্বপ্ন সাফল্যের মুখ দেখতে চলেছে।

First published: January 9, 2020, 2:20 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर