corona virus btn
corona virus btn
Loading

এগিয়ে বাংলা: মালদহ মেডিক্যালে কমেছে শিশুমৃত্যু, তৈরি হয়েছে চাইল্ড অ্যান্ড মাদার হাব

এগিয়ে বাংলা: মালদহ মেডিক্যালে কমেছে শিশুমৃত্যু, তৈরি হয়েছে চাইল্ড অ্যান্ড মাদার হাব
নিজস্ব চিত্র

মালদহ মেডিক্যাল কলেজে ফের শিশুমৃত্যু। কয়েক বছর আগেও প্রায় প্রতিদিন শিরোনামে থাকত এই খবর।

  • Share this:

#মালদহ: মালদহ মেডিক্যাল কলেজে ফের শিশুমৃত্যু। কয়েক বছর আগেও প্রায় প্রতিদিন শিরোনামে থাকত এই খবর। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে আজ তা অতীত। শুধু শিশু ও প্রসূতিদের চিকিৎসায় উন্নত পরিষেবাই নয়, অন্যান্য রোগের চিকিৎসাতেও অত্যাধুনিক ব্যবস্থা চালু হয়েছে।

আগে মালদহ মেডিক্যালের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতি, পরিষেবার মান নিয়ে ভূরি ভূরি অভিযোগ উঠত। গত কয়েক বছরে চিত্রটা আমূল বদলে গেছে। ভৌগলিক অবস্থানের কারণেই রাজ্যের একটা বড় অংশের মানুষের সুস্বাস্থ্যের ভার বহন করতে হয় এই হাসপাতালকে। পাশেই চৌত্রিশ নম্বর জাতীয় সড়ক। রেলপথে যোগাযোগেরও সুবিধা রয়েছে। সেকারণে সহজেই দূর-দূরান্তের রোগীরা চলে আসেন মালদহ মেডিক্যালে। বিহার, ঝাড়খণ্ড, এমনকী বাংলাদেশ থেকেও এই হাসপাতালে আসেন রোগীরা। শিশুমৃত্যুর দুর্নাম ঘোচাতে মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব তৈরি হয়েছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই হাবের নাম দেন 'মাতৃমা'। বহুতল এই হাবেই প্রসূতি, সদ্যোজাত, অসুস্থ ও অপুষ্ট শিশুদের চিকিৎসা হয়। প্রসবকালীন মৃত্যু ঠেকাতে চালু হয়েছে আধুনিক চিকিৎসা।

শিশু ও প্রসূতি মৃত্যুর হার ২০০৯-১০ সালে প্রতিমাসে মৃত ১১৫ শিশু ২০১৭-১৮ সালে প্রতিমাসে মৃত ৪৭ শিশু ২০০৯-১০ সালে প্রতিমাসে মৃত ১০২ প্রসূতি ২০১৭-১৮ সালে প্রতিমাসে মৃত ৫৯ প্রসূতি রাজ্যের মধ্যে প্রথম মালদহ মেডিক্যালেই চালু হয়েছে লিকুইড অক্সিজেন প্লান্ট। পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতি ওয়ার্ড ও বেডে দেওয়া হচ্ছে অক্সিজেন। মুমূর্ষু রোগীর চিকিৎসায় যা এক উল্লেখযোগ্য সংযোজন।

মালদহ মেডিক্যালে নিখরচায় ডায়ালিসিসের সুবিধা পাচ্ছেন হতদরিদ্র রোগীরা। আউটডোরে রোগীর সংখ্যাও রাজ্যের মধ্যে সর্বাধিক। হাসপাতালের মাল্টি স্পেশালিটি আউটডোরে প্রতিদিন চিকিৎসা পান প্রায় চার হাজার রোগী। যে কোনও সরকারি হাসপাতালে যা নজিরবিহীন। আরও বেশ কিছু পরিষেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। গড়ে উঠছে রেডিও থেরাপি বিল্ডিং, আর্সেনিক ফ্রি ওয়াটার প্লান্ট, ট্রমা কেয়ার সেন্টার।

First published: March 30, 2018, 10:46 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर