East Bengal 102 Birthday: ইস্টবেঙ্গলের ১০২তম জন্মদিন! কেক কেটে, জার্সি-পতাকায় সাজল লাল-হলুদের সেকেন্ড হোম

বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে চুক্তি জট এখনও কাটেনি। কিন্তু আজ সেসব নিয়ে ভাবতে রাজি নন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা।

বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে চুক্তি জট এখনও কাটেনি। কিন্তু আজ সেসব নিয়ে ভাবতে রাজি নন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: ইনভেস্টর জট কাটেনি। আইএসএলে খেলা নিয়েও কাটেনি জটিলতা। তবু উৎসাহ, উন্মাদনার খামতি ছিল না ইস্টবেঙ্গলের সদস্য, সমর্থকদের মধ্যে। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ১০২ বছর পূর্তি উৎসবকে ঘিরে শহর শিলিগুড়িতেও দেখা গেল উচ্ছ্বাস। আসলে শিলিগুড়ি যে ইস্টবেঙ্গলের সেকেণ্ড হোম। তা আজ আরো একবার প্রমাণিত হল। শিলিগুড়ি ইস্টবেঙ্গল ফ্যান ক্লাবের উদ্যোগে কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়াম ক্যাম্পাস সেজে ওঠে লাল-হলুদ পতাকায়। ফ্যান ক্লাবেরও আজ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। কাটা হল লাল-হলুদ কেক। প্রিয় দলের জার্সি গায়ে উৎসবে মাতলো ফ্যান ক্লাবের নবীন প্রজন্মরা।

এদিন ফ্যান ক্লাবের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক পুরসভার প্রশাসক গৌতম দেব যোগ দেন অনুষ্ঠানে। তাঁকে বরণ করে নেন ফ্যান ক্লাবের সভাপতি দেবতোষ সান্যাল। পুর প্রশাসকের কাছে ইস্টবেঙ্গল ফ্যান ক্লাবের নামে স্টেডিয়াম সংলগ্ন রাস্তাটির নামকরণের প্রস্তাব দেন সম্পাদক অনুপ বসু। সঙ্গে ছিলেন ফ্যান ক্লাবের অন্যতম কর্তা মদন ভট্টাচার্য, স্বস্তিক সাহা, সপ্তক বসু, শুভম ঘোষরা।

এরপর ফ্যান ক্লাব এবং ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পতাকা উত্তোলন করা হয়। কেক কেটে প্রিয় ক্লাবের ১০২তম জন্ম দিবস পালন করা হয়। যোগ দেন দ্রোনাচার্য কোচ ভারতী ঘোষ, প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলার মনজিৎ সিং। এদিন উচ্চমাধ্যমিকে শিলিগুড়ির সেরা কৃতি ছাত্রী অনন্যা পুরকায়স্থকে সংবর্ধনা জানানো হয়। তারপর শহরের ১২টি ফুটবল কোচিং ক্যাম্পকে প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম তুলে দেওয়া হয়। এদিনই শিলিগুড়ির টিকিয়া পাড়ার এক আশ্রমের আবাসিকদের দুপুরের খাবার খাইয়ে দেওয়া হয়। এবং পাশে থাকার অঙ্গীকার নেওয়া হয়। এর আগে কোভিড সচেতনতাতেও এগিয়ে আসে ফ্যান ক্লাব। স্যানিটাইজ করা হয় শহরের থানা থেকে ট্র‍্যাফিক পুলিশের অফিস।

চুক্তি জট নিয়ে যাবতীয় বিরোধ, ক্ষোভ, দূরত্ব ভুলে আজ আবারও লাল-হলুদ প্রতিটি সমর্থক একযোগে ক্লাবেরই সাফল্য কামনায় কাঁধে কাঁধ মেলালেন। সমর্থকদের আশা খুব দ্রুত চুক্তি বিতর্ক দূরে ঠেলে আই এস এলে কাঁপাবে লাল-হলুদ জার্সি। ক্লাবের ১০২তম জন্ম দিবসে এটাই যেন ছিল প্রত্যেকের চাওয়া! সেই স্বপ্নেই প্রহর গুনছে ইস্টবেঙ্গলের সেকেণ্ড হোম।

Published by:Suman Majumder
First published: