corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনের দুর্দিনে অসহায় মানুষের পাশে ছেলের মত দাঁড়িয়ে থাকবেন, অঙ্গীকার স্থানীয় নেতার

লকডাউনের দুর্দিনে অসহায় মানুষের পাশে ছেলের মত দাঁড়িয়ে থাকবেন, অঙ্গীকার স্থানীয় নেতার

পরিমাণ মত চাল, ডাল, আলু, নুন, কাঁচালঙ্কা এবং সোয়াবিন। প্রতিটি পরিবারের হাতে তুলে দিচ্ছেন এই খাবারের প্যাকেট

  • Share this:
#শিলিগুড়ি: লকডাউন চলছে। মেয়াদ আরও বাড়তে চলেছে। ইতিমধ্যেই তার ইঙ্গিত দিয়েছে রাজ্য। মে মাস জুড়েই চলতে পারে লকডাউন। তবে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হতে পারে। সবই আলোচনার স্তরে রয়েছে। করোনা মোকাবিলায় লকডাউনেই আস্থা সরকারের। গোটা রাজ্যেই এই লকডাউনে সমস্যায় পড়েছে দিন মজুরেরা। যত দিন বাড়ছে, ততই ওঁদের দুর্ভোগ বাড়ছে। দু'বেলা কি খাবার জুটবে, সেই দুশ্চিন্তা তাড়া করে বেড়াচ্ছে প্রতিনিয়ত। ছবিটা একই শিলিগুড়ি মহকুমায়। হাজার হাজার অভুক্ত মানুষ। গ্রাম, চা বাগান, বস্তি এলাকা সর্বত্রই হাহাকারের ছবি। কেননা চা বাগানে ২৫ শতাংশ শ্রমিক নিয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য। চা বাগানগুলো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করাচ্ছে। তাই অনেক শ্রমিকেরই দিন কাটছে অত্যন্ত কষ্টে। রেশনে খাদ্য সামগ্রী মিলছে ঠিকই, তা যথেষ্ট নয়। কাজ না থাকায় হাতে টাকাও নেই। দুর্ভোগ বাড়ছে এই দিন আনি দিন খাই শ্রমিকদের। অনেকেই তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এই দুঃসময়ে।
তেমনই একজন শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের বিরোধী দলনেতা কাজল সরকার। লকডাউনের ডে ওয়ান থেকেই রাস্তায় নেমেছেন তিনি। আজ এই বস্তি, তো কাল আর এক চা বাগানে। ফাঁসিদেওয়া ব্লক জুড়েই ত্রান সামগ্রী তুলে দিচ্ছেন তিনি। প্রতিদিনই ৩০০ থেকে ৪০০ জনের হাতে তুলে দিচ্ছেন খাদ্য সামগ্রী। আজ গিয়েছিলেন দুটি চা বাগানে। ফাঁসিদেওয়ার মতিধর চা বাগান এবং সৈয়াদাবাদ চা বাগানে যান। পাশাপাশি খারুভাঙ্গি গ্রামেও যান তিনি।   বাগান শ্রমিক এবং গ্রামবাসীদের হাতে তুলে দেন শুকনো খাবারের প্যাকেট। কি থাকছে ওই প্যাকেটে ? পরিমাণ মত চাল, ডাল, আলু, নুন, কাঁচালঙ্কা এবং সয়াবিন। প্রতিটি পরিবারের হাতে তুলে দিচ্ছেন এই খাবারের প্যাকেট। যাতে কেউই এই দুর্দিনে না খেয়ে দিন কাটায়। বিরোধী দলনেতা কাজল সরকার জানান, যতদিন লকডাউন চলবে, এইভাবেই দুঃস্থ ও অভাবী পরিবারের পাশে দাঁড়াবেন ছেলের মতো। প্রতি সকালেই বের হবেন রসদ নিয়ে।     Partha Pratim Sarkar
Published by: Arjun Neogi
First published: April 30, 2020, 11:54 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर