উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

কারো স্মার্ট ফোন নেই, কারো সমস্যা ইন্টারনেটের, অনলাইনের বদলে ক্যাম্পাসে এসে গন টোকাটুকি করে পরীক্ষা মালদহে!

কারো স্মার্ট ফোন নেই, কারো সমস্যা ইন্টারনেটের, অনলাইনের বদলে ক্যাম্পাসে এসে গন টোকাটুকি করে পরীক্ষা মালদহে!

পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগেই প্রশ্নপত্র অনলাইনে দিয়ে দেওয়া হয়।

  • Share this:

# মালদহ: মালদহের বিভিন্ন কলেজে অনলাইনের বদলে ক্যাম্পাসে এসে গন টোকাটুকি করে পরীক্ষা দিলেন বেশকিছু ছাত্র-ছাত্রী। কলেজেই পরীক্ষা দিয়ে, কলেজেই উত্তর পত্র জমা। মালদহের কালিয়াচক কলেজ ও গাজোল কলেজে এমনই ছবি ধরা পড়ল নিউজ-১৮ বাংলার ক্যামেরায়।  কথা ছিল, করোনা আবহে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা হবে অনলাইনে। তবে পরীক্ষা "অনলাইন" হলেও কার্যত অফলাইনেই  ভরসা অনেকের। করোনা আবহেও তাই কলেজ ক্যাম্পাসে এসে পরীক্ষা দিলেন মালদহের বিভিন্ন কলেজের পড়ুয়ারা। কারো স্মার্ট ফোন নেই, কারো সমস্যা ইন্টারনেটের, কেউ থাকেন প্রত্যন্ত গ্রামে। এই অবস্থায় মালদহের বিভিন্ন কলেজে ভরসা রাখলেন পরীক্ষার্থীরা।

কালিয়াচক কলেজে ক্লাস রুম থেকে কলেজ চত্বরের গাছতলা। দেখা গেল জড়ো হয়ে এক জায়গায় পরীক্ষা দিচ্ছে ছাত্রছাত্রীরা। পরীক্ষা শেষে কলেজ কর্তৃপক্ষের হাতেই জমা দেওয়া হলো উত্তরপত্র। সোমবার থেকে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বিভিন্ন কলেজে শুরু হলো স্নাতক স্তরের পরীক্ষা। সমস্ত পরীক্ষায় অনলাইন এবং 'ওপেন বুক এক্সাম' পদ্ধতিতে হবে বলে আগেই জানিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সেইমতো পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগেই প্রশ্নপত্র অনলাইনে দিয়ে দেওয়া হয়।  পরীক্ষা শেষের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের অনলাইনে উত্তরপত্র আপলোড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

পাশাপাশি যেসব পরীক্ষার্থী কোনো  কারণবশত অনলাইনে উত্তরপত্র আপলোড করতে পারবেনা তাঁরা সরাসরি কলেজে এসেও উত্তরপত্র জমা করতে পারবে বলে জানিয়েছিল গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু, এদিন মালদহের একাধিক কলেজে দেখা যায়, বহু পরীক্ষার্থী সরাসরি কলেজে এসে পরীক্ষা দিয়েছে। পরীক্ষার্থীদের দাবি, স্মার্টফোন এবং নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণেই তাঁরা কলেজকেই পরীক্ষার জন্য বেছে নেন। কালিয়াচক কলেজের অধ্যক্ষ নাজিবুর রহমান স্বীকার করেছেন,এদিন প্রায় শ'খানেক পড়ুয়া কলেজ  ক্যাম্পাসে এসে পরীক্ষা দেয়। ভবিষ্যতের কথা ভেবে তাঁদের পরীক্ষার সুব্যবস্থা করে দেয় কলেজ কর্তৃপক্ষই।

পাশাপাশি, এমন ছবি ধরা পড়ে মালদহের গাজোল কলেজেও। এখানেও বেশকিছু পরীক্ষার্থী কলেজে এসে একসঙ্গে বসে পরীক্ষা দেন। যদিও এনিয়ে মুখ খুলতে চাননি গাজোল কলেজের অধ্যক্ষ সামসুল হক । অন্যদিকে পরীক্ষার্থীদের দাবি, স্মার্ট ফোন না থাকার কারণেই তাঁরা বাধ্য হয়ে কলেজে এসে পরীক্ষা দিয়েছেন।

Sebak DebSarma

Published by: Debalina Datta
First published: October 5, 2020, 10:50 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर