ভয়ঙ্কর কালবৈশাখীর তান্ডব, লন্ডভন্ড গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া ব্লকের বিস্তীর্ন এলাকা

গাছপালা ঝড়ের তান্ডবে পড়ে গিয়েছে। বৃষ্টির জলে ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র ভিজে গিয়েছে।কীভাবে তারা দিন কাটাবেন তা বুঝে উঠতে পারছেন না।

গাছপালা ঝড়ের তান্ডবে পড়ে গিয়েছে। বৃষ্টির জলে ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র ভিজে গিয়েছে।কীভাবে তারা দিন কাটাবেন তা বুঝে উঠতে পারছেন না।

  • Share this:

#গোয়ালপোখর: কালবৈশাখীর প্রবল ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া ব্লকের বিস্তীর্ন এলাকা। ঝড়ের সময় গাছ পড়ে যাওয়ায় জখম এক বৃদ্ধ। এছাড়াও অল্পবিস্তর জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন। ঘটনার পর থেকে এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের কর্তাদের ক্ষতিগ্রস্থদের কাছে না পৌঁছানোয়ে তাদের ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

রবিবার সকালে উত্তর দিনাজপুর জেলায় প্রবল ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হয়। রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ,  হেমতাবাদে ঝড়ের তান্ডব তেমন না থাকলেও গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া ব্লকে ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড বেশ কয়েকটি গ্রাম৷  যেমন গোয়ালপোখর ব্লকের সাহাপুর আদিবাসি পাড়া,  ফুলবাড়ি, তাজপুর, খড়রা গ্রাম। চাকুলিয়া ব্লকের কালারাম,মনোরা,লাহিল এবং হাটোয়ার গ্রাম সব বেশি ক্ষতি হয়েছে। বহু বাড়ির চাল উড়ে গিয়েছে।বহু ঘর মাটিতে মিশে গিয়েছে। বড় বড় গাছ ঝড়ের তান্ডবে ভেঙ্গে পড়েছে। ঝড়ে বাড়িঘর ভেঙে পড়ায় চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন  বাসিন্দারা। ঘরবাড়ি মাটিতে মিশে যাওয়ায় পরিবারকে নিয়ে খোলা আকাশের নীচে রাত কাটাতে হচ্ছে। সকাল ১১ টায় ঘটনা ঘটলেও এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের কর্তা এবং পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের দেখা না মেলায় গ্রামবাসীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

গোয়ালপোখর ব্লকের তাজপুর খড়রা গ্রামে ঝড়ের সময় ঘর থেকে পালিয়ে যাবার সময় এক বৃদ্ধের উপর গাছ পড়ে যাওয়ায় তিনি জখম হয়েছেন।  চাকুলিয়া ব্লকের কালারাম গ্রামের বাসিন্দা মহঃ মুস্তফা জানান, আচমকা ঝড়ে বাড়িঘর সব মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছে। গাছপালা ঝড়ের তান্ডবে পড়ে গিয়েছে। বৃষ্টির জলে ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র ভিজে গিয়েছে।কীভাবে তারা দিন কাটাবেন তা বুঝে উঠতে পারছেন না। পঞ্চায়েত থেকে ব্লক প্রশাসনের কর্তাদের দেখা মেলেনি। গোয়ালপোখরের সাহাপুরের বাসিন্দা মহঃ ফজিবুল জানান, ঝড়ের সময় তারা ঘরেই ছিলেন। ঘরের চাল উড়ে যাবার সময় তারা পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়ে অন্য একটি ঘরে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখানকার চাল উড়ে যাবার পর তারা মাদ্রাসার ঘরে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ঝড় বৃষ্টি কমে যাবার পর তারা সেখান থেকে বেরিয়েছেন। ঝড়ে ঘড় ভেঙে গিয়েছে। পরিবারের লোকেরা কী খাবে, কোথায় থাকবে তারা বুঝতে পারছেন না। এই গ্রামের বাসিন্দা বৃদ্ধ মহঃ আশাবুল জানান, প্রবল ঝড়ের সময় ঘরের চাল উড়ে যায়।ঘড়ের পাশে একটি বড় গাছ ছিল। গাছটি ভেঙে পড়ার শব্দ পেয়ে ঘর ছেড়ে বের হতেই সেই গাছ ভেঙে পড়ে। গাছের ডাল হাত, বুকে এবং পায়ে লাগে। তাতে তিনি জখম হয়েছেন। কয়েক মিনিটের ঝড়ে পুরো এলাকা ফাকা হয়ে গিয়েছে বলে তিনি জানান।

Published by:Pooja Basu
First published: