• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • ২৫ বৈশাখ বিয়ের কথা ছিল, মহাদেবের সামনে সেদিনই সাতপাকে বাঁধা পড়লেন দম্পতি

২৫ বৈশাখ বিয়ের কথা ছিল, মহাদেবের সামনে সেদিনই সাতপাকে বাঁধা পড়লেন দম্পতি

লকডাউনের মাঝে বিবাহ সম্পন্ন হওয়া খুশী নবদম্পতি। তবে একমাত্র মেয়ের বিয়েতে আনন্দ করতে না পারায় পাত্রীর পরিবারের মন খারাপ।

লকডাউনের মাঝে বিবাহ সম্পন্ন হওয়া খুশী নবদম্পতি। তবে একমাত্র মেয়ের বিয়েতে আনন্দ করতে না পারায় পাত্রীর পরিবারের মন খারাপ।

লকডাউনের মাঝে বিবাহ সম্পন্ন হওয়া খুশী নবদম্পতি। তবে একমাত্র মেয়ের বিয়েতে আনন্দ করতে না পারায় পাত্রীর পরিবারের মন খারাপ।

  • Share this:

Uttam Paul

#রায়গঞ্জ: বাবা ভোলানাথকে সাক্ষী রেখে সাতপাঁকে বাধা পড়লেন রায়গঞ্জ কৃষ্ণ-জয়া। মুখে মাস্ক পড়ে অনাড়ম্বরভাবে বিবাহ সম্পন্ন হল। লকডাউনের মাঝে বিবাহ সম্পন্ন হওয়া খুশী নবদম্পতি। তবে একমাত্র মেয়ের বিয়েতে আনন্দ করতে না পারায় পাত্রীর পরিবারের মন খারাপ। দীর্ঘ নয় মাস আগে রায়গঞ্জ দেবীনগরের বাসিন্দা তারাপদ শূরের ছেলে কৃষ্ণ শূরের সঙ্গে বিবাহ ঠিক হয়েছিল রায়গঞ্জ বন্দরের বাসিন্দা নারায়ণ চন্দ্র সাহার একমাত্র মেয়ে জয়া সাহার। বিয়ের দিন নির্ধারিত হয়েছিল ২৫ বৈশাখ। এরই মধ্যে সারা বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাসের থাবায় আক্রান্ত মানুষ। এই করোনার বিরুদ্ধে লড়াই এ দেশ জুড়ে লকডাউন ঘোষণা হয়েছে। সারা দেশে তৃতীয় পর্যায়ে লকডাউন চলছে। এই লকডাউন কবে প্রত্যাহার হবে তা সকলের কাছেই অজনা। তাই বাধ্য হয়েই এই লকডাউনের মধ্যেই নির্ধারিত দিনে রায়গঞ্জ দেবীনগরের শিবমন্দিরে গিয়ে পাত্র পাত্রী মাস্ক পড়ে সাতপাঁকে বাধা পড়লেন। বিয়ে আনন্দ, বিয়ে মানেই হই হুল্লোড়, ভালমন্দ খাওয়া দাওয়া। সেই সমস্ত কিছু বাদ রেখে দু পরিবারে কয়েকজন এসে সামাজিক রীতিনীতি মেনে সামজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাবা ভোলানাথের সামনে মালাবদল হল। বিয়ে সম্পন্ন হবার পরই টোটোতে পাত্রী শ্বশুড়বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যায়। পাত্রীর বাবা নারায়ণ চন্দ্র সাহা জানিয়েছেন, একমাত্র মেয়ের বিয়ে ধূমধাম করে বিয়ে দেবার জন্য উৎসব ভবন বুক করে রেখেছিলনে। কিন্ত সবকিছুই ওলোট পালোট হয়ে গেল করোনা ভাইরাসের মতন মারণ ভাইরাসের আক্রমনে। দেশে লকডাইন চলছে। কবে এই লকডাউন উঠবে তা কেউ জানেন না। তাই নির্ধারিত সূচী মেনে অনাড়ম্বর ভাবেই বাবা ভোলানাথকে সাক্ষী রেখে সামজিক দূরত্ব বজায় রেখে মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন করলেন তাঁরা। এভাবে মেয়ের বিয়ে হওয়ায় পরিবারের সদস্যদের মন খারাপ। পাত্রের আত্মীয় প্রশান্ত শাস্ত্রী জানিয়েছেন পরিস্থিতির কারণে এ ধরনের সিদ্ধান্ত। সচেতন নাগরিক হিসেবে এই দায়িত্ব পালন করা উচিত। বিয়ের অনুষ্ঠান বাতিল বা পিছিয়ে না দিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এভাবে বিয়ে করতে পারেন। করোনামুক্ত ভারত হোক, বিশ্ববাসী এই করোনা নামক ভাইরাস থেকে মুক্তি পান এই কামনা করে প্রশান্তবাবু।

Published by:Simli Raha
First published: