টানা ৩ দিন লকডাউন সেভকেশ্বরী কালী মন্দির, ভক্তরা অঞ্জলী দেবেন ভার্চুয়ালি!

টানা ৩ দিন লকডাউন সেভকেশ্বরী কালী মন্দির, ভক্তরা অঞ্জলী দেবেন ভার্চুয়ালি!
কালী পুজায় লকডাউন। হ্যাঁ। টানা তিন দিন লকডাউন সেভকেশ্বরী কালী মন্দিরে।

কালী পুজায় লকডাউন। হ্যাঁ। টানা তিন দিন লকডাউন সেভকেশ্বরী কালী মন্দিরে।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: কালী পুজায় লকডাউন। হ্যাঁ। টানা তিন দিন লকডাউন সেভকেশ্বরী কালী মন্দিরে। করোনার জন্যে এবারে কালী পুজায় বন্ধ থাকছে মন্দিরের দরজা। ১১ থেকে ১৩ নভেম্বর অর্থাৎ পুজার সময়ে বন্ধ থাকছে মন্দির। কোনো ভক্তই দেখতে পারবেন না মায়ের আরাধনা। যা এই প্রথম। তবে পুজা হবে শক্তি মতে। যেমনটা প্রতি বছর হয়ে থাকে। পুজা হবে ভার্চুয়ালি।অঞ্জলীও হবে ভার্চুয়ালি। মায়ের ভোগ নিবেদন হবে। তবে ভোগ বিতরণ হবে না। পুজার পরদিন মায়ের ভোগেরঞ্জন্যে লম্বা লাইন পড়ে যেত মন্দিরের বাইরে। করোনা সতর্কতা হিসেবেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মন্দিরের পুরোহিত নন্দ কিশোর গোস্বামী জানান, একটি মোবাইল নম্বর দেওয়া হবে। ওই নম্বরে লাইভে পুজা হবে। সেখানেই ভার্চুয়ালি অঞ্জলী দেওয়া যাবে। বাড়িতে মায়ের ছবির সামনেই অঞ্জলী দেওয়া যাবে। তারপর ফুল ও বেলপাতা যথাস্থানে নিবেদন করতে হবে। তবে এবারে বলিও দেওয়া হবে। সবজি বলি দেওয়া হবে। তবে পশু বলি দেওয়া হবে না। যজ্ঞও হবে রীতি মেনে। কোনো ভক্তই পুজার সময়ে মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবে না।শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটক যাওয়ার পথে ৩১ নং জাতীয় সড়কের ধারেই বাঁ দিকে সেবক পাহাড়ের কোলে সেভকেশ্বরী কালী মন্দির। ভিন রাজ্য থেকে ভক্তরা পুজার দিন ভিড় জমাতো এখানে। পর্যটকেরা পাহাড় বেড়ানোর ফাঁকেই মন্দিরে পুজা দিয়ে যান ভক্তরা। পাহাড় কেটে তৈরী করা হয় মন্দির। কথিত আছে ১৯৫২ সালে পাহাড়ের গায়ে পঞ্চমুণ্ডি আসন, ত্রিশূল এবং বেদী দেখতে পায় এক সাধক। তারপর থেকেই কালী পুজার শুরু। ১০৭ ধাপ চরাই উতরাই সিঁড়ি পার করে উঠতে হয় সেভকেশ্বরী কালী মন্দিরে প্রবেশ। বহুবার সেবক পাহাড়ে ধস নামলেও তা একবারও আঁচড় কাটতে পারেনি মায়ের মন্দিরে। এও কথিত আছে, সেভকেশ্বরী  মা কালী জাগ্রত। আর তাই ছুটে আসেন ভক্তরা। এই বছরের পুজার প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। রঙ করা হচ্ছে মন্দির।


Published by:Akash Misra
First published: