corona virus btn
corona virus btn
Loading

ডাক্তারের চেম্বার কবে খুলবে জানা যাবে ৩ মে পর, হন্যে হয়ে ঘুরছেন রোগী ও আত্মীরা...

ডাক্তারের চেম্বার কবে খুলবে জানা যাবে ৩ মে পর, হন্যে হয়ে ঘুরছেন রোগী ও আত্মীরা...

এক চিকিৎসকের চেম্বারের বন্ধ দরজার সামনে বসে থাকতে দেখা গেল মালদহের ইংরেজবাজার এর মহুদিপুরের বাসিন্দা মাঝবয়সী কনিকা চট্টোপাধ্যায়-কে। চোখেমুখে একরাশ দুশ্চিন্তা ।

  • Share this:

#মালদহ: লকডাউনে মালদহের বেশিরভাগ চিকিৎসকের প্রাইভেট চেম্বার বন্ধ। ফলে চরম সমস্যায় রোগীরা। একে  যানবাহন না চলায় জেলা সদরে এসে পৌঁছানোই কঠিন লড়াই। তারওপর অনেকেই চিকিৎসক না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরছেন। মালদা  শহরের মকদমপুর এলাকায় এক চিকিৎসকের চেম্বারের বন্ধ দরজার সামনে বসে থাকতে দেখা গেল মালদহের ইংরেজবাজার এর মহুদিপুরের বাসিন্দা মাঝবয়সী কনিকা চট্টোপাধ্যায়-কে। চোখেমুখে  একরাশ দুশ্চিন্তা । ষাটোর্ধ্ব স্বামী সৌমেন্দ্র নাথ চট্টোপাধ্যায় গুরুতর অসুস্থ । সকাল থেকে নাক ,মুখ দিয়ে রক্তপাত এর ঘটনা ঘটেছে।  গ্রাম থেকে ট্যাক্সি রিজার্ভ করে চলে এসেছেন মালদা শহরে। সঙ্গে মেয়ে,  নাতি-নাতনি। এসে দেখলেন  চিকিৎসকের  প্রাইভেট চেম্বার তালাবন্ধ। অনেক খোঁজখবর করে জেনেছেন, চেম্বার খুলবে না। বেলার দিকে  লাগোয়া প্রাইভেট নার্সিং হোমে দেখা মিলতে পারে চিকিৎসকের। সেই আশাতেই রোগীকে ট্যাক্সিতেই বসিয়ে রেখে  ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা  চট্টোপাধ্যায় পরিবার।

এভাবেই মালদা শহরের একাধিক চিকিৎসকের বন্ধ চেম্বারের সামনে দেখা গেল রোগীদের। বেশিরভাগই শহরতলী এবং গ্রামাঞ্চল থেকে এসেছেন। ডাক্তার দেখাতে না পেরে সমস্যায় পড়েন তাঁরা। অনেকেই বলেন, লকডাউন পরিস্থিতিতে করোনা ছাড়াও বহু  মানুষ সাধারণ নানারকম রোগে জর্জরিত। এই অবস্থায় চিকিৎসকরা অমিল হলে সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে।

মালদহে অনেক চিকিৎসক আছেন যাঁরা বিভিন্ন ওষুধের দোকান বা সংলগ্ন স্থানে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করেন। এমন বিভিন্ন দোকান থেকে রোগীদের ফেরানো  হয়। মালদা শহরের ওষুধ ব্যবসায়ী ত্রিদিব  দাস । তাঁর কমপ্লেক্সে তিনজন নামী চিকিৎসকের প্রাইভেট চেম্বার রয়েছে। কিন্তু লকডাউনে  কেউই রোগী দেখছেন না । পুরনো রোগী এলে টেলিফোনে কথা বলে অনেক ওষুধ কন্টিনিউ করে দেওয়া হচ্ছে। পরিষেবা বলতে এটুকুই। নতুন রোগী দেখা বন্ধ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন চেম্বারে রোগী দেখবেন কিনা তা ঠিক করবেন ৩ মে পর। এই অবস্থায় অসুস্থ কোন রোগী এলে সরাসরি ওষুধের দোকান থেকে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দিচ্ছেন ত্রিদিববাবু। জানালেন রোগীদের জন্য আপাতত এমন ব্যবস্থাই থাকছে।

First published: April 30, 2020, 5:27 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर