• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • DM OF ALIPURDUAR SURENDER KUMAR MEENA TREKKED FOR THE DAY THROUGH FOREST AND HILLS TO REACH A REMOTE LOCATION ON BHUTAN BORDER FOR VACCINATION DRIVE SB

Alipurduar Dm Surendra Kumar Meena: পাহাড় জঙ্গল টপকে দিনভর ট্রেক, গোটা গ্রামকে টিকা দিলেন বাংলার জেলাশাসক

সুরিন্দর কুমার মীনা

Alipurduar Dm Surendra Kumar Meena: বাংলার এক জেলাশাসক যেন বুঝিয়ে দিলেন শুধুই প্রশাসকের চেয়ারে বসে থাকা নয়, প্রয়োজনে মানুষের বন্ধু হয়ে উঠতে হয় সরকারি আধিকারিকদের।

  • Share this:

#আলিপুরদুয়ার: তিনি জেলাশাসক, আবার তিনিই গোটা জেলার সকলের 'বন্ধু'। প্রয়োজনে যে তিনি বহুদূর পর্যন্ত ছুটে যেতে পারেন, তারই যেন প্রমাণ দিলেন আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক সুরিন্দর কুমার মীনা (Surender Kumar Meena)। প্রায় গোটা দিন পাহাড়, জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে ট্রেক করে তিনি পৌঁছে গেলেন জেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে। ঘরে-ঘরে গিয়ে বোঝালেন ভ্যাকসিন নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা। আর কী অদ্ভূত, গোটা গ্রামের মানুষ জেলাশাসকের কথায় আশ্বস্ত হয়ে হাত বাড়িয়ে দিলেন টিকা নিতে। বাংলার এক জেলাশাসক যেন বুঝিয়ে দিলেন শুধুই প্রশাসকের চেয়ারে বসে থাকা নয়, প্রয়োজনে মানুষের বন্ধু হয়ে উঠতে হয় সরকারি আধিকারিকদের।

ভূটান সীমান্তের প্রত্যন্ত গ্রাম আদমা। এতটাই দুর্গম এলাকায় ওই গ্রাম, যে ভ্যাকসিন নিয়ে কে পৌঁছবে, তা নিয়েও বিপাকে পড়েছিল প্রশাসন। আর ঠিক তখনই মুশকিল আসান হয়ে এগিয়ে আসেন সুরিন্দর কুমার মীনা। ডিপিএলও, বিডিওদের সঙ্গে নিয়ে তিনিই শুরু করেন ট্রেকিং। সঙ্গে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন। পোখারি থেকেও প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের গ্রাম আদমা। পাহাড়, জঙ্গলে ঢাকা। মানুষকে সাহায্য করার অদম্য ইচ্ছায় সেই পথ সুরিন্দর কুমার মীনা ও তাঁর টিম পেরিয়ে যান অনায়াসে।

আদমার ওই গ্রামের মানুষের কাছে ভ্যাকসিনের প্রয়োজনীয়তা, গুরুত্ব কোনওকিছুই স্পষ্ট ছিল না। তাই সেখানে পৌঁছে প্রায় প্রতিটি বাড়ি ঘুরে বেড়িয়েছেন আইএএস অফিসার মীনা। প্রত্যেককে বুঝিয়েছেন, করোনাকে হারাতে ভ্যাকসিনের কোনও বিকল্প নেই। আর তাঁর সেই আবেদন সাড়া দিয়েছে গোটা গ্রাম। যাঁরা টিকা নেওয়ার কথা এতদিন ভাবতেনও না, তাঁরাও বাড়িয়ে দিয়েছেন হাত। প্রতিটি বাসিন্দা দু'হাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন মীনা ও তাঁর টিমকে। রাজ্য সরকারকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁরা।

মীনার এমন মানবিক পদক্ষেপ অবশ্য নতুন নয়। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে গত এপ্রিল মাসে ডুয়ার্সকন্যায় বৈঠকের মাঝে হাসপাতাল সুপারের কাছে রক্তসংকট সমস্যার কথা শুনেছিলেন জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মীনা। আর তা শুনে বৈঠক শেষ হতেই নিজে হাসপাতালে ছুটেছিলেন রক্তদান করতে। সেই ঘটনাও ছাপ ফেলেছিল জেলার বাসিন্দাদের মনে।

স্থানীয়দের অনেকেই বলে থাকেন, আলিপুরদুয়ারের বর্তমান জেলাশাসক একটু অন্যরকম। এলাকার উন্নয়নের কাজও যেমন তিনি মন দিয়ে করেন, তেমনি মানুষের সমস্যার কথাও মনযোগ সহকারে শোনেন। আবার স্থানীয় জনজাতির মানুষের পাশে বসে পাত পেড়ে খিচুড়িও খান। ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের প্রয়োজন শুনলে তক্ষুণি ছোটেন রক্তদান করতে। আবার পাহাড় ডিঙিয়ে ভ্যাকসিন নিয়ে পৌঁছে যান প্রত্যন্ত গ্রামবাসীদের কাছে।

Published by:Suman Biswas
First published: