চাবাগানের দখল নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ,গুলি বিদ্ধ হয়ে আহত এক কিশোর

  • Share this:

#ইসলামপুর: চাবাগান দখলকে কেন্দ্র করে শরিকি সংঘর্ষ।আহত এক কিশোর।আহত কিশোরের নাম সাহানাওয়াজ। আহত কিশোরকে প্রথমে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতাল ও পরে তাকে শিলিগুড়ির উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তর করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।আহত কিশোরের পরিবারের অভিযোগ ছড়রা গুলিতেই আহত হয়েছে সাহানয়াজ। ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার শচীন মক্কার জানিয়েছেন, ইসলামপুর থানার গাঠিয়াটোল গ্রামে জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে।এক কিশোর আহত হয়েছে।কীভাবে আহত হয়েছে পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে।বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে পুলিশ সুপার দাবি করেছেন। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছে।

আহত কিশোরের আত্মীয় মহঃ হুদা জানান, একটি পরিত্যক্ত চাবাগান দীর্ঘ দুই বছর তাদের দখলে ছিল। তারা এই চাবাগানের স্থায়ী কর্মী ছিলেন।মালিক পক্ষ চাবাগান ছেড়ে চলে যাওয়ার পর সেই চাবাগান তাদের দখলে ছিল।আচমকা পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী কালাম সেই চা বাগান দখল নিতে চায়। বিষয়টি দলীয় নেতৃত্ব এবং পুলিশকেও জানানো হয়েছিল। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এরপর কালাম ডিমটি,মাটিকুন্ডা,সুজালী এলাকা থেকে ভারা করা কিছু দুষ্কৃতী নিয়ে এসে সেই চাবাগান দখল নিতে যায়। বাগানে পৌঁছানোর আগেই তারা গুলি ছোড়ে।ভয়ে তারা বাগান ছেড়ে পালিয়ে আসেন। কালামের লোকেরা বাড়িতে এসে গুলি চালায়।সেই গুলিতেই তার ভাইপো আহত হয়েছেন বলে জানান মহঃ হুদা।

এছাড়াও চারটি বাইক ভাঙচুর করা হয়েছে। মেয়েদের কাছ থেকে সোনার অলঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশের কাছে এই তথ্য আসার পর ইসলামপুর থানার পুলিশ মাটিকুন্ডা গ্রামে অভিযুক্তদের গ্রফতারে তল্লাশি চালায়। অভিযোগ পুলিশ সেখানে গ্রেফতারের নামে মহিলাদের উপর অত্যাচার, শূন্য গুলি চালায় বলে অভিযোগ। এই অভিযোগে মাটিকুন্ডা ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝলঝলি গ্রামে রাজ্য সড়রে টায়ার জ্বালিয়ে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ শুরু করে। বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং র‍্যাফ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

মাটিকুন্ডা ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মেহেবুব আলমের অভিযোগ ইসলামপুর থানার আই সি আগডিমটির ঘটনায় পুলিশ অন্যায়ভাবে মাটিকুন্ডার মানুষকে অত্যাচার করছে। মোটরবাইক ভাঙচুর,মহিলাদের মারধোর ছাড়াও শূন্যে গুলি চালায়।তিনি আই সি অপসারনের দাবি করেছেন। প্রধানের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার শচীন মক্কার।তিনি জানান, গাঠিয়াটোলের সংঘর্ষ ঘটনায় মাটিকুন্ডা এলাকার কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।পুলিশ কোন অসংযত কাজ করেনি।যারা এই ঘটনায় যুক্ত পুলিশ তাদের গ্রফতার করা হবে। কোন বাধাই পুলিশ মানবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Published by:Pooja Basu
First published: