Home /News /north-bengal /
North Bengal Tourism: উত্তরবঙ্গে ঘোরার নতুন জায়গা! লুপ্তপ্রায় জনজাতির এই গ্রাম মন ভরিয়ে দেবে

North Bengal Tourism: উত্তরবঙ্গে ঘোরার নতুন জায়গা! লুপ্তপ্রায় জনজাতির এই গ্রাম মন ভরিয়ে দেবে

North Bengal: ৫০ লাখ টাকায় তৈরী হচ্ছে ধীমালদের ট্রাইবাল মিউজিয়াম। ওদের সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে চায় রাজ্য!

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গের প্রাচীন জনজাতির মধ্যে অন্যতম ধীমাল। নকশালবাড়ি নিয়ে আলোচনায় বসলে ধীমালদের গল্প ছাড়া তা অসম্পূর্ণ।

বিলুপ্ত প্রায় জনজাতি। নকশালবাড়ির ইন্দো-নেপাল সীমান্ত লাগোয়া গ্রামের নাম ধীমাল বস্তি। এখানেই ধীমাল সম্প্রদায়ের বসবাস। বস্তির ঘরের জানালা দিয়ে উঁকি মারলেই চোখে পড়ে দূরের ঝকঝকে পাহাড়!

আবহাওয়া ভালো থাকলে ধীমাল গ্রামে বসেই শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনের দর্শন মেলে। হিমালয়ের পাদদেশেই ধীমালদের বসবাস। ওদের সংস্কৃতি নিজস্ব, পোশাক নিজস্ব, অলঙ্কারও নিজস্ব।

আরও পড়ুন- মালদহের ৫০৮ বছরের রামকেলি মেলার সঙ্গে কী যোগ মহাপ্রভুর? শুরু হল মেলা!

রয়েছে বাঁশ আর কাঠের তৈরী নিজস্ব ঘরানার নানান বাদ্যযন্ত্র। ওরা নিজেদের মধ্যেই সংস্কৃতি নিয়ে প্রতিনিয়ত চর্চা করে আসছে। পশু, পাখি শিকার, মাছ ধরা ওদের অন্যতম প্রধান পেশা।

পশু শিকারের হাতিয়ারও ওদের নিজেদেরই সৃষ্টি। আর তাই ওদের নিয়ে গবেষণা করতে রাশিয়া থেকেও গবেষকেরা পা দিয়েছিলেন ধীমাল গ্রামে। রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরাও ভিড় জমায় এই গ্রামে।

আর্থিক দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া এই সম্প্রদায় এখন নতুন স্বপ্ন দেখছে। তৈরী হচ্ছে ধীমালদের জন্যে ট্রাইবাল মিউজিয়ম। এজন্যে রাজ্য ৫০ লাখ টাকা অনুমোদন করেছে। খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।

এই মিউজিয়ম এবং অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে হাতিয়ার করে পর্যটনের মানচিত্রে আসছে ধীমাল গ্রাম! ওদের বেঁচে থাকার নতুন স্বপ্ন। কারণ সবই প্রায় হারিয়ে যেতে বসছে।

মিউজিয়ম হলে নতুন করে বাঁচবে ধীমালদের বাদ্যযন্ত্র, শিকারের হাতিয়ার, ওয়াল পেইন্টিং শিল্প। নতুন প্রজন্মও জানতে পারবে অনেক কিছু। আর তাই এবারে হোম স্টে ট্যুরিজম দিয়ে পর্যটনের আঙিনায় আসতে চলেছে।

পর্যটকদের নয়া ডেস্টিনেশন হতে চলেছে ইন্দো-নেপাল সীমান্ত ঘেঁষা জনজাতিদের এই গ্রাম। আগামীদিনে ভিড় বাড়বে এই গ্রামে। বাড়বে ধীমালদের অর্থনীতিও। খুশি ধীমালেরা।

আরও পড়ুন- 'মাঠে বসে পরীক্ষা দেয় পড়ুয়ারা', দিনহাটায় নতুন কলেজের আবেদন উদয়ন গুহর

শুধু ধীমালরাই নয়, গোটা এলাকাও আর্থ সামাজিক উন্নয়ন হবে। বলছেন সম্প্রদায়ের প্রধান গর্জন মল্লিক। এনিয়ে পর্যটনের সঙ্গে জড়িতদের সঙ্গে কথাও হয়েছে। পর্যটন উপদেষ্টা রাজ বসু জানান, ধীমালদের একটা নিজস্ব সংস্কৃতি রয়েছে। হারিয়ে যেতে বসা সেই সংস্কৃতিকে বাঁচাতেই হবে।

Published by:Suman Majumder
First published:

Tags: North Bengal

পরবর্তী খবর