Home /News /north-bengal /
North Bengal: ডেঙ্গু আতঙ্ক! রোগ ছড়ানোর আশঙ্কায় ভুগছে ধূপগুড়ি শহর

North Bengal: ডেঙ্গু আতঙ্ক! রোগ ছড়ানোর আশঙ্কায় ভুগছে ধূপগুড়ি শহর

নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব চিত্র

North Bengal: পুরসভার তরফের সতর্ক করা হলেও সেই বাড়ির মালিক বাড়ির পেছনে মজুত করে রাখা পরিত্যক্ত টায়ারগুলি সরানোর ব্যাপারে কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করেনি বুধবার পর্যন্ত।

  • Share this:

#ধূপগুড়ি: ডেঙ্গু আতঙ্ক শহর জুড়ে। মশার উপদ্রবে নাজেহাল শহরবাসী। নিয়মিত স্প্রে করা হয় না মশা মারার ওষুধ। এর ফলে মশাবাহিত রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা ভুগছে শহর। তেমনি ধূপগুড়ি শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ফনি মন্ডল তাঁর বাড়ির ভেতর রীতিমতো মশার আঁতুর ঘর বানিয়ে ফেলেছিলেন। বাড়ির ভেতর রীতিমতো মশার আঁতুড় ঘর বানিয়ে ফেলেছিলেন বাড়ির মালিক এবং তার থেকেই তৈরি হয়েছিল মশার লাভা। তার ফলে মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। বার বার পৌর কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি এত দিন।

পুরসভার তরফের সতর্ক করা হলেও সেই বাড়ির মালিক বাড়ির পেছনে মজুত করে রাখা পরিত্যক্ত টায়ারগুলি সরানোর ব্যাপারে কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করেনি বুধবার পর্যন্ত। তাই পুলিশ নিয়ে অভিযানে যান ধূপগুড়ি পুরসভার ভাইস-চেয়ারম্যান রাজেশ কুমার সিং-সহ পুর প্রশাসকগন । রীতিমতো হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় বাড়ির মালিক ফনি মণ্ডলকে, যদি ১২ ঘণ্টার মধ্যে সেই পরিত্যক্ত টায়ারগুলো পরিষ্কার করা না হয় তা হলে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে তার বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন: কোন পথে বিজেপি-র বিরুদ্ধে লড়াই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠিতে পড়ল শোরগোল

এদিকে সন্ধ্যা নামতেই মশার উপদ্রব শুরু হয়ে যায় শহরে। এর আগেও ডেঙ্গুর প্রভাবে নাজেহাল হয়েছিল ধূপগুড়ি ১৫ নম্বর ওয়ার্ড-সহ একাধিক ওয়ার্ড। মশার উপদ্রব বাড়ায় রীতিমতো আতঙ্কে ছিলেন শহরের মানুষরা। ধূপগুড়ি পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশ কুমার সিং বলেন,  টায়ার ব্যবসায়ী ফনি মণ্ডল তিনি এই টাওয়ারগুলো তাঁর বাড়িতে জমিয়ে রেখেছিলেন। সেখানে জল জমে মশার উপদ্রব বাড়ছে বলে পুরসভার কাছে অভিযোগ আসে।  আমরা সাত দিন সময় দিয়েছিলাম ব্যবসায়ী ফনি মণ্ডলকে। টায়ারগুলো সরানোর জন্য তিনি সরাননি টায়ারগুলো।  যাঁর ফলে আজ পুলিশ নিয়ে সেই বাড়িতে যাওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন: মালদহে অবহেলায় পড়ে ৪০০ বছর পুরনো মূর্তি, সংরক্ষণের দাবি পুরাতত্ত্ববিদদের

১২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পলাশ সরকার বলেন, ড্রেনগুলো সঠিক সময়ে পরিষ্কার করা হয় না এবং মশার ওষুধ সঠিক সময়ে স্প্রে করা হয় না। সেই কারণেই এই মশার উপদ্রব বাড়ছে। আমরা দাবি করছি সঠিক সময়ে ড্রেনগুলো পরিষ্কার করা হোক এবং সময়মতো মশার ওষুধ স্প্রে করা দরকার। এক ফুট পাত ব্যবসায়ী বাপ্পা বসাক বলেন, মশার উপদ্রবে এখানে বসা যায় না, প্রচণ্ড পরিমানে মশা আমরা ধুপকাঠি জ্বালিয়ে রাখি মশার কয়েল জ্বালিয়ে রাখি, তবুও এই মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা পাওয়া যায় না। পুরসভার উচিত দ্রুত মশা মারার ওষুধ স্প্রে করা গোটা শহরে তা না হলে ডেঙ্গু ম্যালেরিয়ার মতো রোগ ছড়াতে পারে।

SEKH ROCKY CHWDHURY

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: Dengue

পরবর্তী খবর