• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • DEAR LOTTERY PRICE NO WORK IN LOCKDOWN THE POOR BAND PLAYER LUCKILY WON 1 CRORE FROM THE UNSOLD LOTTERY TICKETS AT MALDAH

Dear Lottery: লকডাউনে নেই কাজ! শেষে বিক্রি না হওয়া লটারির টিকিট থেকে ১ কোটি জিতলেন গরীব ব্যান্ডবাদক

ছেলের সোনার লকেট বিক্রি করে লটারি টিকিট (Dear Lottery) বিক্রি শুরু করেছিলেন মালদহের (Malda) শঙ্কু ঋষি। বৃষ্টিতে টিকিট বিক্রি না হওয়ায় মাথায় হাত পড়েছিল । সেই টিকিটেই খুলল ভাগ্য ।

ছেলের সোনার লকেট বিক্রি করে লটারি টিকিট (Dear Lottery) বিক্রি শুরু করেছিলেন মালদহের (Malda) শঙ্কু ঋষি। বৃষ্টিতে টিকিট বিক্রি না হওয়ায় মাথায় হাত পড়েছিল । সেই টিকিটেই খুলল ভাগ্য ।

  • Share this:

সেবক দেবশর্মা

#মালদহ: লকডাউনে কাজ না মেলায় অভাবের তাড়নায় লটারি বিক্রি করছিলেন। তাতেও লোকসান হয় মাথায় হাত পড়ে। এরইমধ্যে একমাত্র অবিক্রিত টিকিটে লটারিতে এককোটি টাকা পেলেন এক ব্যান্ডবাদক।

একেই নুন আনতে পান্তা ফুরোয় পরিবার। তারওপর গত দেড় বছর লকডাউনে কাজের বায়না নেই। পেশায় ব্যান্ডপার্টির বাজনা বাদক শঙ্কু ঋষি কখনও রাজমিস্ত্রি, কখনও জনমজুরের কাজ করে সংসার চালানোর চেষ্টা করছিলেন। তাতেও সফল না হওয়ায় শেষে ছেলের অন্নপ্রাশনের সোনার লকেট বিক্রি করে কয়েকদিন আগেই । শুরু করেন লটারি টিকিট বিক্রির ব্যবসা। এতেও লোকসান হওয়াতে আত্মহত্যার চিন্তা পর্যন্ত মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। বাড়িতে সাতজনের সংসার কী ভাবে চালাবেন ভেবে কুল পাচ্ছিলেন না শঙ্কু। শেষে একমাত্র অবিক্রিত লটারিতে রাতারাতি কোটিপতি মালদহের ব্যান্ডবাদক।

বাড়ি মালদহ শহরের বিএস রোড জগদ্ধাত্রীতলায়। নাম শঙ্কু ঋষি। বাড়িতে স্ত্রী সহ এক ছেলে এক মেয়ে, বয়স্ক বাবা-মা অসুস্থ। থাকার একটিমাত্র ছোট্ট ঘর। আত্মীয়-স্বজন বাড়িতে এলে শুতে দেওয়ার পর্যন্ত জায়গা নেই। এ দিকে লকডাউনে বাজনা বাজানোর অর্ডার সে ভাবে না পাওয়ায় রাজমিস্ত্রি , লেবারের কাজ করেও সংসারে অভাব মিটেনি।

১৭ দিন আগে সিদ্ধান্ত নেন লটারি টিকিট বিক্রি করার। ছোট ছেলের অন্নপ্রাশনে দেওয়া সোনার লকেট বিক্রি করে লটারি টিকিট বিক্রি শুরু করেন। গত শুক্রবার বৃষ্টিতে টিকিট বিক্রি না হওয়ায় বারোশো টাকা লস হয় তাঁর। চিন্তায় ভেঙে পড়েন শঙ্কু। সোমবার সব লটারি টিকিট বিক্রি হলেও একটা টিকিট থেকে গিয়েছিল। শেষ মুহূর্তে ফিরিয়ে না দিয়ে লস স্বীকার করে রেখে দেয়। কয়েক ঘন্টা পর ডিস্ট্রিবিউটার এর ঘর থেকে ফোন আসে। অবিক্রিত টিকিটে এক কোটি টাকা প্রাইজ খেলেছে।

এরপর সবটাই যেন স্বপ্ন। প্রতিবেশীরাও বলছেন এতদিনে ভগবান প্রকৃতই অভাবীর দিকে মুখ তুলে চাইলেন। শঙ্কু ঋষি জানান, ভগবান আমার দুঃখ দুর্দশা দেখে আমার দিকে মুখ তুলে চেয়েছে। এই টাকা দিয়ে আমি একটি বাড়ি তৈরি করব। বাবা-মার চিকিৎসা করাব। বাচ্চাদের একটু ভালভাবে লেখাপড়া করাবো। এটাই আমার স্বপ্ন। তবে পাশাপাশি মূল পেশা বাজনা বাজানো সেটা চালিয়ে যেতে চাই, বললেন শঙ্কু।

Published by:Simli Raha
First published: