সিজারিয়ান ডেলিভারির প্রবণতা কমানোর লক্ষ্যে জোর দিচ্ছে দার্জিলিং জেলা স্বাস্থ্য দফতর

সিজারিয়ান ডেলিভারির প্রবণতা কমানোর লক্ষ্যে জোর দিচ্ছে দার্জিলিং জেলা স্বাস্থ্য দফতর
  • Share this:

#দার্জিলিং: সিজারিয়ান নয় স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় শিশুর জন্মের বিষয়ে জোর দিচ্ছে দার্জিলিং জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। জেলাজুড়ে সিজারিয়ান শিশুর জন্মের প্রবণতাই বেশী। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় শিশুর জন্মের হার অনেকটাই কমে এসছে। তাই এবারে সিজারিয়ান থেকে মুখ ঘোরাতে চাইছে স্বাস্থ্য দপ্তর। ইতিমধ্যেই শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে এ বিষয়ে সাফল্য এসছে। সচেতনতা প্রচার চালিয়ে সিজারিয়ান শিশু জন্মের হার কমেছে।

আগে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে যেখানে ৪০ শতাংশ শিশুর জন্ম হত সিজারে। এখন হাসপাতালে কমে দাঁড়িয়েছে ২৫ শতাংশে। দার্জিলিং সদর হাসপাতাল, কার্শিয়ং ও মিরিক মহকুমা হাসপাতালেও সিজারের সংখ্যা কমানোর দিকে এগোচ্ছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। সরকারী হাসপাতাল গুলোতে সিজারের প্রবণতা কমলে বেসরকারী হাসপাতালের দিকেও পা বাড়াবে স্বাস্থ্য দপ্তর। যেসব প্রসূতির সিজার ছাড়া প্রসব সম্ভব নয়, তাঁদেরকেই একমাত্র করানো হবে।

এনিয়ে বেসরকারী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট তলব করছে স্বাস্থ্য দপ্তর। বেসরকারী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে প্রসূতির স্বাস্থ্যে রিপোর্ট কার্ড চেয়ে পাঠাবে স্বাস্থ্য দপ্তর। আজ শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের রুগী কল্যান সমিতির বৈঠকের পর একথা জানান দার্জিলিংয়ের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারীক প্রলয় আচার্য্য। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, জোর করে কাউকেই সিজার করানো যাবে না। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নব জাতকের জন্ম দিতে হবে। এতে মা ও শিশু উভয়েই সুস্থ থাকবে। সিজার করালে সুস্থ হতে সময় লাগে। কাঁটা ছেঁড়ার সম্ভাবনাও থেকে যায়। ঝুঁকিপূর্ণ অপারেশন। পাঁচ দিনের আগে ছুটি মেলে না হাসপাতাল থেকে। ফলে প্রসব ওয়ার্ডে বেড আটকে থাকে। সরকারী হাসপাতালে প্রসূতিদের লম্বা লাইন লেগেই থাকে। আর স্বাভাবিক উপায়ে শিশুর জন্ম হলে দু'দিনের মাথায় ছুটিও পেয়ে যায় মা ও শিশু। উভয়েই সুস্থও থাকে। চীন সহ বহু দেশেই এখন সিজারিয়ানের সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (WHO) সিজারের বিরুদ্ধে।

First published: March 12, 2020, 9:14 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर