Mamata Banerjee: 'যত বড়ই হোন, শাস্তি আমি দেবই!' মাথাভাঙায় 'ভেদাভেদ' মুছে অঙ্গীকার মমতার

সবার কাছে মমতা

এদিন মাথাভাঙা (Mathabhanga Firing) হাসপাতালের মাঠে মমতার সঙ্গে এসে দেখা করেন আনন্দর দাদু ও মামা। আর সেখান থেকেই মমতা বলেন, 'আমি কথা দিচ্ছি, আমি নিজে থেকে ওই কাণ্ডের তদন্ত করাব। দোষীরা শাস্তি পাবেই।'

  • Share this:

    #কোচবিহার: কথা দিয়েছিলেন। কথা রাখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee in Sitalkuchi)। কমিশনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় ৭২ ঘণ্টা মাথাভাঙায় যেতে পারেননি তিনি। কিন্তু সেই সময় কাটতেই বুধবার সকালে মাথাভাঙায় হাজির তৃণমূল নেত্রী। মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন তিনি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন মমতার সঙ্গে দেখা করতে আসেন ভোটের লাইনে দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত রাজবংশী আনন্দ বর্মনের (Ananda Barman) পরিবারের সদস্যরাও। বিজেপি অবশ্য দাবি করেছিল, আনন্দর পরিবার তাঁদের কর্মী। তৃণমূলই তাঁকে খুন করেছে। তাই মমতার সঙ্গে দেখা করতে যাবেন না আনন্দর পরিবারের কেউ। কিন্তু এদিন মাথাভাঙা (Mathabhanga Firing) হাসপাতালের মাঠে মমতার সঙ্গে এসে দেখা করেন আনন্দর দাদু ও বাবা। আর সেখান থেকেই মমতা বলেন, 'আমি কথা দিচ্ছি, আমি নিজে থেকে ওই কাণ্ডের তদন্ত করাব। দোষীরা শাস্তি পাবেই। সে তিনি যত বড় কেউ হোন না কেন। আর আনন্দ বর্মনকে কে খুন করল, তাও তদন্ত করে বের করা হবে।'

    এদিন উত্তরবঙ্গে চারটি ও নদিয়াতে একটি জনসভা আছে মমতার (Mamata Banerjee)। চূড়ান্ত ব্যস্ততার মাঝেও কিন্তু মাথাভাঙা পৌঁছতে দেরি করেননি মমতা। মৃতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পর মমতা বলেন, 'আমি আপনাদের সকলের ঘরের লোক। আমি দোষীদের ছেড়ে দেব না। শাস্তি পাবেই সবাই। এর জন্যে যতদূর যাওয়া যায়, আমি যাব। ভোট মিটে গেলে যা যা করার দরকার, করব।' নিহত পাঁচ জনের পরিবারই সরকারি সাহায্য পাবে বলেও জানান মমতা। একইসঙ্গে বলে আসেন, ভোট মিটলেই আবার তিনি মাথাভাঙায় আসবেন।

    তবে, বিজেপি আবার এলাকার পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে তৃণমূল নেত্রীর। তাই সকলের উদ্দেশে তাঁর আহ্বান, 'কোনও প্ররোচনায় পা দেবেন না। বুলেটের বদলে ব্যালটে জবাব দেবেন। আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে। আমি আপনাদের সকলের ঘরের লোক। আমি বলছি, শান্ত হয়ে সকলে মিলেমিশে থাকুন। আমি আপনাদের পাশে রয়েছি।'

    এদিন মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার সময় হাতজোড় করে কেঁদেও ফেলেন মমতা। আর মমতার চোখে জল দেখে কান্নায় ভাসেন মৃতদের পরিবারের সদস্যরাও। শীতলকুচিতে ৭২ ঘণ্টার প্রবেশ নিষিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই ফুঁসে উঠেছিলেন মমতা। জানিয়ে দিয়েছিলেন, ৭২ ঘণ্টা পেরোলেই তাঁর গন্তব্য শীতলকুচি। আগেই অবশ্য মৃতদের পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। আর বুধবার সশীরের তাঁদের কাছে পৌঁছে গেলেন মমতা।

    Published by:Suman Biswas
    First published: