• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • বিবাহবার্ষিকী আর মেয়ের জন্মদিনে‌ অভুক্তদের মুখে অন্ন তুলে দিয়ে কাটালেন দম্পতি

বিবাহবার্ষিকী আর মেয়ের জন্মদিনে‌ অভুক্তদের মুখে অন্ন তুলে দিয়ে কাটালেন দম্পতি

তাঁরা এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে চা শ্রমিক পরিবারের হাতে তুলে দিলেন শুকনো খাবারের থলে।

তাঁরা এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে চা শ্রমিক পরিবারের হাতে তুলে দিলেন শুকনো খাবারের থলে।

তাঁরা এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে চা শ্রমিক পরিবারের হাতে তুলে দিলেন শুকনো খাবারের থলে।

  • Share this:

#‌শিলিগুড়ি:‌ করোনার থাবা বাড়ছে বিশ্বজুড়ে। দেশেও সংখ্যাটা ক্রমেই বাড়ছে। ইতিমধ্যেই আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। আর তাই লকডাউনের সময়সীমা ফের বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন আগামী ৩ মে পর্যন্ত চলবে লকডাউন। করোনা মোকাবিলায় দেশবাসীর ঘর বন্দী থাকাটাই একমাত্র পথ। ভালোভাবে মেনে চললে দেশের পক্ষেই ভালো। না মানলে কি হয়, তার ফল ভোগ করছে অনেক উন্নত দেশ। আমেরিকা, ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স কোন দেশ নেই এই তালিকায়?

তবে লকডাউনে যে সমস্যা বাড়ছে দিন আনি দিন খাই মানুষের, চা শ্রমিক সহ মজুরদের, তাও ‌স্পষ্ট হচ্ছে। রীতিমতো খাদ্য সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে। অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এগিয়ে এসেছে। হাত বাড়িয়েছেন অনেক সহৃদয় ব্যক্তিও। বহু মানুষ দুঃস্থদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন শিলিগুড়ি শহর থেকে গ্রামাঞ্চলে। এই অসময়ে পাশে দাঁড়ানোটাই বড় কথা। মারণ করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে জিততে গেলে এই ধরনের ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই লড়তে হবে। আর আজ বাংলা নববর্ষের দিনে নজির গড়লেন বিধাননগরের এক দম্পতি। আজ ছিল তাঁদের ১৯তম বিবাহবার্ষিকী। আর তাঁদের কন্যার ১১তম জন্মদিন। এমন দিনে নিজেদের গৃহ বন্দী না রেখে বেড়িয়ে পড়লেন। অসহায়, না খেতে পাওয়া মানুষদের দরজায়। নিরঞ্জন বিশ্বাস ও তাঁর স্ত্রী লিলি দেবী। সঙ্গে তাঁদের মেয়ে গুনগুন। বাড়িতে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করেননি এদিন। অনুষ্ঠান হলেও তো আর আমন্ত্রণ জানানো হত না। তাই আজকের বিশেষ দিনটি কাটালেন অন্যভাবে। ক্ষুধার্তদের পাশে দাঁড়িয়ে। বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে ঘোষপুকুরের কমলা চা বাগানের শ্রমিক লাইনে।

তাঁরা এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে চা শ্রমিক পরিবারের হাতে তুলে দিলেন শুকনো খাবারের থলে। চাল, ডাল, তেল, লবন, সবজি সহ অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস সামগ্রীও দিলেন তাঁরা। এদিন তাঁরা ৫০০ জন শ্রমিকের হাতে তুলে দেন এই রসদ। বিশ্বাস দম্পতি বলেন, আজকের দিনটি অন্যরকমভাবে কেটেছে। লকডাউনের সময়ে ওঁদের পাশে থাকতে পেরে ভালো লাগছে। ছোট্ট গুনগুনও বেশ খুশী। তাঁর কথায় এটা আমার জীবনের সেরা জন্মদিনের অনুষ্ঠান।

Partha Sarkar

Published by:Uddalak Bhattacharya
First published: