corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনের সময় সুরা রসিকদের ছিল হাপিত্যেশ, দেশি মদের দাম বাড়ায় চাহিদা অর্ধেক!

লকডাউনের সময় সুরা রসিকদের ছিল হাপিত্যেশ, দেশি মদের দাম বাড়ায় চাহিদা অর্ধেক!

মদের দাম একলাফে বেড়েছে অনেকটা, তাই ‘মদ্যপায়ী’-রাও কমাচ্ছেন পানের পরিমাণ

  • Share this:

#রায়গঞ্জ:  দেশি মদের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিক্রি কমে অর্ধেক হয়েছে।বিক্রি কমে যাওয়া চরম বিপাকে পড়েছেন মদ বিক্রেতারা।লকডাউনের কারনে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে গেছে।মদের দাম ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি হওয়ায় গরীব মানুষ দেশি মদের দিক থেকে  মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।তার ফলেই দেশি মদের বিক্রি একলাফে অর্ধেক হয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন জেলা আফগারি দপ্তরের আধিকারিক তাপস কুমার মাইতি।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ভারত সরকার দেশ জুড়ে লকডাউন ঘোষনা করেছিল।দীর্ঘ দুই মাস লকডাউনে মানুষ ঘরে বসে দিন কাটাতে হয়েছে।মানুষের কাজকর্ম না থাকায় সাধারন মানুষকে চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়তে হয়েছে।গত ৪ মে রাজ্য সরকার মদের দোকান খোলার কথা ঘোষনা করেছিল।মদের উপর ৩০ শতাংশ বিক্রয় কর চাপানোর কথাও ঘোষনা করেছিল রাজ্য সরকার। বিক্রয় কর ঘোষনার আগে এক বোতল দেশি মদের দাম ছিল ৮৫ টাকা।বিক্রয় কর লাগু হবার পর এক বোতল দেশি মদের দাম হয়েছে ১১০ টাকা। লকডাউনের আগে উত্তর দিনাজপুর জেলায় প্রতিদিন ১৫ হাজার বোতল দেশী মদ বিক্রি হত।দাম বেড়ে যাবার পর সেই বিক্রি কমে হয়েছে ৮ থেকে ৯ হাজার বোতল। তবে কি মানুষ দেশি মদ না খেয়ে বিদেশি মদ পান করছেন? সেখানেও দিনের পর দিন বিক্রি কমছে।আগে জেলায় প্রতিদিন ১০ হাজার লিটার বিদেশি মদ বিক্রি হত। এখানে কমে হয়েছে ৭ থেকে ৮ হাজার লিটার।

দেশি মদ বিক্রি এক লাফে অর্ধেক হয়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন মদ বিক্রেতারা।কারন দোকানের যে খরচ তা কমে নি।বরং বেড়েছে।কারন দেশি মদের দোকানে  অফ এবং অন শপের সুযোগ ছিল।লকডাউনের পর থেকে শুধুমাত্র অফ শপ খোলার অনুমতি দিয়েছে।সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কারনে অন শপ খোলার সরকারি অনুমতি দেয় নি। ফলে অন শপের কর্মিদের বসিয়ে বেতন গুনতে হচ্ছে। দেশি মদ বিক্রেতা শুভঙ্কর মল্লিক জানিয়েছেন, লকডাউনের পর থেকে দেশি মদের বিক্রি ৬০ শতাংশ কমে গেছে।মদ বিক্রি না হওয়া দোকানে মদ জমে যাচ্ছে।ব্যাঙ্ক থেকে ঋন নিয়ে তারা দোকান করছেন।বিক্রি কম হবার কারনে তারা নিয়মিত ব্যাঙ্কের ঋন  পরিশোধ করতে পারছেন না।এছাড়াও দোকানের খরচ হয় তা কমে নি। বরঞ্চ বেড়েছে।লকডাউনের পর থেকে দোকান খুলে তারা লোকসানের মধ্যে পড়তে হচ্ছে।জেলা আফগারি দফতরের আধিকারিক তাপস কুমার মাইতি জানিয়েছেন, লকডাউনের পর থেকে মানুষ চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে আছেন।দেশি মদ মূলত গরীব  দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ পান করেন।লকডাউনে পর থেকে গরীব মানুষের উপার্জন নেই। যেটুকু উপার্জন করছেন সে টাকা দিয়ে এই বর্ধিত দামে  দেশি মদ কিনতে পারছেন না।ফলে দিনের পর দিন দেশি মদের বিক্রি কমছে।মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি না পেলে মদ বিক্রির পরিমান বাড়বে না বলে মনে করেন তাপসবাবু।

Uttam Paul

Published by: Debalina Datta
First published: June 22, 2020, 5:57 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर