দার্জিলিংয়ের পাহাড় ও সমতলে করোনা ভ্যাকসিন নেওয়া শুরু! প্রথম দিনে টিকা নিলেন ৪৯৮ জন

দার্জিলিংয়ের পাহাড় ও সমতলে করোনা ভ্যাকসিন নেওয়া শুরু! প্রথম দিনে টিকা নিলেন ৪৯৮ জন

দার্জিলিং জেলার পাঁচ কেন্দ্র থেকে টিকা নিয়েছেন ৪৯৮ জন। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল থেকে নিয়েছেন ৯৮ জন। বাকি চার সেন্টারেই ১০০ জন করে টিকা নিয়েছেন।

দার্জিলিং জেলার পাঁচ কেন্দ্র থেকে টিকা নিয়েছেন ৪৯৮ জন। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল থেকে নিয়েছেন ৯৮ জন। বাকি চার সেন্টারেই ১০০ জন করে টিকা নিয়েছেন।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান! সকাল থেকেই ছিল সাজ সাজ রব! নীল, সাদা বেলুন দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয় সেন্টার। সকলের মুখেই চওড়া হাসি। এর জন্যেই তো এতদিনের অপেক্ষা। দিল্লি থেকে ভার্চুয়ালি প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরই দেশজুড়ে শুরু হয়ে যায় কোভিড প্রতিরোধক "কোভিশিল্ড" টিকাকরণ কর্মসূচী। একইভাবে শিলিগুড়ি সহ গোটা উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও সমতল মিলিয়ে ৪৪টি কেন্দ্র থেকে  প্রথম দফায় প্রথম সারির কোভিড যোদ্ধাদের এই ভ্যাকসিন দেওয়ার পর্ব শুরু হল।

প্রথম দিন প্রতি সেন্টার পিছু ১০০ জন করে উপভোক্তা টিকা নেন। সেখানে দার্জিলিং জেলার পাঁচ কেন্দ্র থেকে টিকা নিয়েছেন ৪৯৮ জন। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল থেকে নিয়েছেন ৯৮ জন। বাকি চার সেন্টারেই ১০০ জন করে টিকা নিয়েছেন। শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে প্রথম টিকা নেন এম্বুলেন্স চালক অশোক রায়। টিকা নিয়েছেন উত্তরবঙ্গ মেডিকেল এবং শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের রোগী কল্যান সমিতির চেয়ারম্যান রুদ্রনাথ ভট্টাচার্য এবং তাঁর স্ত্রী প্রাক্তন অধ্যক্ষ। টিকা নিয়েছেন শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল, খড়িবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতাল, দার্জিলিং সদর হাসপাতাল, কার্শিয়ং মহকুমা হাসপাতাল এবং মেডিকেলের একাধিক চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মী, সাফাই কর্মীরা। ফের সোমবার হবে টিকাকরণ কর্মসূচী।

আজ যারা "কোভিশিল্ড" ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তারা ফের টিকা নেবেন ২৮ দিন পর। সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলবে ভ্যাকশিনেশন প্রক্রিয়া। টিকা নেওয়ার পর আধ ঘণ্টা অবজার্বেশনে রাখা হয়। কিন্তু প্রথম দিনে কারোরই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। দার্জিলিং জেলায় ১৮ হাজার কোভিড প্রতিরোধক ভ্যাকসিন এসে পৌঁছেছে। "প্রথম দিনেই জেলায় ভালোই সাড়া মিলেছে স্বাস্থ্য কর্মীদের মধ্যে। উৎসাহ লক্ষ্য করা গিয়েছে সকলের মধ্যে।" জানান দার্জিলিংয়ের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারীক প্রলয় আচার্য্য। "টিকা নিতে অন্যদেরও এগিতে আসা উচিৎ। এতে ভয়ের কিছু নেই।" টিকা নেওয়ার পর জানান জেলা হাসপাতালের বিশিষ্ট চিকিৎসক রিচার্ড নার্জিনারি। আর এম্বুলেন্স চালকের কথায়, "প্রচুর কোভিড রোগীর সংস্পর্ষে এসেছি। আগামীতে আসতে হবে। তাই টিকা নিয়ে নিলাম।"

PARTHA PRATIM SARKAR 

Published by:Piya Banerjee
First published: