আজ দার্জিলিংয়ের পাহাড় ও সমতলের ৫ কেন্দ্র দেওয়া হচ্ছে ভ্যাকসিন

আজ দার্জিলিংয়ের পাহাড় ও সমতলের ৫ কেন্দ্র দেওয়া হচ্ছে ভ্যাকসিন

প্রথম দফায় প্রথম সারির কোভিড যোদ্ধাদের এই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে

প্রথম দফায় প্রথম সারির কোভিড যোদ্ধাদের এই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: আজ, ১৬ জানুয়ারি, সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়েছে কোভিড প্রতিরোধক "কোভিশিল্ড" টিকাকরণ কর্মসূচী। প্রথম দফায় প্রথম সারির কোভিড যোদ্ধাদের এই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। দার্জিলিং জেলায় ১৮ হাজার কোভিড প্রতিরোধক ভ্যাকসিন এসে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ১ হাজার ভ্যাকসিন যাবে সেনা বাহিনীর কাছে। বাকি ১৭ হাজার "কোভিশিল্ড" ভ্যাকসিন ২ দফায় দেওয়া হবে স্বাস্থ্য কর্মীদের। আজ থেকে যা শুরু।

প্রথম ভ্যাকসিনের ২৮ দিন পর দ্বিতীয় টিকা দেওয়া হবে। প্রতিটি কেন্দ্রেই এম্বুলেন্স থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কর্মী নিয়ে মেডিকেল টিম রাখা হবে। যদি কেউ টিকা নেওয়ার পর শারিরীক অসুস্থতা বোধ করেন তাহলে তাকে তৎক্ষনাৎ চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে বলে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর জেলার পাহাড় ও সমতল মিলিয়ে উপভোক্তার সংখ্যা ১৭ হাজারের কাছাকাছি। যা ভ্যাকসিন এসছে তা দিয়ে মেটানো সম্ভব নয়।

দার্জিলিং জেলার পাহাড় ও সমতল মিলিয়ে ৫ কেন্দ্র থেকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। কেন্দ্রগুলি হল উত্তরবঙ্গ মেডিকেল, শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল, খড়িবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতাল, কার্শিয়ং মহকুমা হাসপাতাল এবং দার্জিলিং সদর হাসপাতাল। গত কাল, শুক্রবার, উত্তরবঙ্গ মেডিকেল এবং শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারীক প্রলয় আচার্য্য। প্রতিটি কেন্দ্রেই পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্যে গণ্ডি আঁকা হয়েছে। থাকছে মেডিকেল টিম।

সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে উপভোক্তাদের নির্দিষ্ট কেন্দ্রে পৌঁছতে হবে। ৯টার থেকে ভ্যাকসিনেশন শুরু হবে। দুপুর ১টায় রাজ্যের অন্য জেলার সঙ্গে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্তাদের নিয়ে ভার্চুয়ালি টিকার উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। দীর্ঘ একটা প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। করোনা এবং লকডাউনের পর টিকার দাবী জোরালো হচ্ছিল। ভিন দেশ নয়, নিজের দেশেই বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন "কোভিশিল্ড" ভ্যাকসিন। শীঘ্রই ভারতের বাজারে আসছে "কো-ভ্যাকসিন" নামে আরও একটি টিকা। তৈরী স্বাস্থ্য কর্তারাও।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: