স্বাধীনতা দিবসে কতটা মানা হবে সামাজিক দূরত্ব? এর ওপরই নির্ভর করছে আক্রান্তের গ্রাফ!

স্বাধীনতা দিবসে কতটা মানা হবে সামাজিক দূরত্ব? এর ওপরই নির্ভর করছে আক্রান্তের গ্রাফ!
সেপ্টেম্বরের ৩০ তারিখ পর্যন্ত উদ্বেগ থাকছেই। কঠিন সময়। এই সময়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে না চললে গ্রাফ কোনওভাবেই নামবে না।

সেপ্টেম্বরের ৩০ তারিখ পর্যন্ত উদ্বেগ থাকছেই। কঠিন সময়। এই সময়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে না চললে গ্রাফ কোনওভাবেই নামবে না।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: কিছুটা কমেছে আক্রান্তের সংখ্যা। এক লাফে অনেকটাই নেমে আসার মতো অবশ্য নয়। তবুও কিছুটা হলেও স্বস্তি। স্বস্তি বাড়িয়েছে সুস্থতার সংখ্যাও! প্রতিদিনই দুই কোভিড হাসপাতাল সহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল থেকে আক্রান্তরা সুস্থ হয়ে ফিরছেন ঘরে। আবার একটা বড় অংশ হোম কোয়ারেন্টাইনেই সুস্থ হয়ে উঠছেন। যা অবশ্যই ভাল দিক। স্বাস্থ্য দফতরের তত্ত্বাবধানেই বাড়িতেই চলছে কোভিডের চিকিৎসা। এবং চিকিৎসায় সাড়া দিয়ে সুস্থও হয়ে উঠছেন।

এদিন ৫৮ জন কোভিড জয় করেছেন। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের গ্রাফ সামান্য নেমেছে। বৃহস্পতিবার যেখানে ১০০ ছাড়িয়ে গিয়েছিল, শুক্রবার শিলিগুড়ির ৪৭টি ওয়ার্ড এবং দার্জিলিংয়ের পাহাড় ও সমতলের গ্রামীণ এলাকা মিলিয়ে সংখ্যাটা থেমেছে ৬৬-তে! পাহাড়ে অনেকটাই কমেছে সংক্রমণের হার। টানা ১৪ দিনের লকডাউনের সুফল কি পাচ্ছে পাহাড়?

গত ৭২ ঘণ্টার আক্রান্তের হিসেব অন্তত তাই বলছে। জিটিএ'র চেয়ারম্যান অনীত থাপা আগেই কড়াভাবে লকডাউন মানায় পাহাড়বাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। তবে শিলিগুড়ি পুরসভার সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে গ্রামীণ এলাকা। এদিন পুর এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫ জন। এর মধ্যে দার্জিলিং জেলার অন্তর্গত ৩৩টি ওয়ার্ডে আক্রান্ত ২৪ জন। আর সংযোজিত ১৪টি ওয়ার্ডে সংক্রমিত হয়েছেন ১১ জন। বৃহস্পতিবার যে সংখাটা ছিল ৪৪! গ্রামীণ এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা ২৭ জন। এর মধ্যে মাটিগাড়ায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১৭ জন। নকশালবাড়িতে ৮ এবং ফাঁসিদেওয়ায় ২ জন। পাহাড়ে ৪ জন। সুখিয়াপোখরিতে ১ আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। বাকি তিন জন শিলিগুড়ি লাগোয়া কার্শিয়ংয়ের সুকনার বাসিন্দা। সংখ্যাটা কবে আরও নামবে?


এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জানান, সেপ্টেম্বরের ৩০ তারিখ পর্যন্ত উদ্বেগ থাকছেই। কঠিন সময়। এই সময়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে না চললে গ্রাফ কোনওভাবেই নামবে না। কিন্তু শনিবার আবার স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান। একাধিক জায়গায় রয়েছে কর্মসূচী। কতটা ভিড় এড়ানো সম্ভব হবে, তা যথেষ্টই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা মারণ করোনার মোকাবিলায় সেরা অস্ত্রই হল মানুষে মানুষে মেলামেশা বন্ধ রাখা। ১৫ অগাস্ট তা কতটা মানবে শহর শিলিগুড়ি? অনুষ্ঠান তো হবে, ঠিক। সেক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব না মেনে চললেই বিপদ। এদিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন উদ্যোক্তাদের। কেননা কাল মন্ত্রী-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জন প্রতিনিধিদের গুচ্ছের কর্মসূচী রয়েছে। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় শিলিগুড়ির চার আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ২জন মহিলা রয়েছেন। চার জনেরই মৃত্যু হয়েছে কো-মর্বিডিটিতে বলে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: