উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

পাহাড় ও সমতলে বাড়ছে আক্রান্তের গ্রাফ, বাড়ছে উদ্বেগ

পাহাড় ও সমতলে বাড়ছে আক্রান্তের গ্রাফ, বাড়ছে উদ্বেগ

পঞ্চমী থেকে সপ্তমী পর্যন্ত ঠিকঠাকই ছবি ধরা পড়েছিল। ফাঁকা ফাঁকাই ছিল শহরের বিভিন্ন মণ্ডপ। মানুষজন খুব একটা বের হয়নি।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: পঞ্চমী থেকে সপ্তমী পর্যন্ত ঠিকঠাকই ছবি ধরা পড়েছিল। ফাঁকা ফাঁকাই ছিল শহরের বিভিন্ন মণ্ডপ। মানুষজন খুব একটা বের হয়নি। কিন্তু অষ্টমীর সকাল থেকেই সেই উপচে পড়া ভিড়। অঞ্জলীর আয়োজন অনেক উদ্যোক্তাই করেনি। আবার যেখানে যেখানে হয়েছিল, গায়ে গা লাগিয়ে চলে অঞ্জলী। ছোটো, বড় সব মণ্ডপেই থিক থিক ভিড়। সোশ্যাল ডিস্টেনশিং উধাও। মণ্ডপের সামনেও সেই চেনা ছবি। কোথায় করোনা বিধি? উদ্যোক্তারা বার বার মাইকিং করছেন, পুলিশ সতর্ক করছে। তাতে কি এসে যায়! বন্ধু, বান্ধবদের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেড়িয়ে পড়া। কেউ আবার বাবা এবং মায়ের হাত ধরে। মাস্কে নাক ও মুখ ঢাকেনি পর্যন্ত অনেকেরই। আর বিসর্জনের ঘাট দেখে তো বোঝার উপায় নেই যে করোনা আবহ চলছে। মহানন্দার ঘাটে উপচে পড়া ভিড়। হিলকার্ট রোডজুড়ে সেই চেনা থিক থিক ভিড়। গতকালে প্রতিমা নিরঞ্জনের দ্বিতীয় দিনেও ছবিটা বদলায়নি। ফলস্বরূপ গত ৬ দিনে শিলিগুড়ি পুরসভার ৪৭টি ওয়ার্ড এবং দার্জিলিংয়ের পাহাড় ও সমতলের চার ব্লক মিলিয়ে উর্ধমুখী গ্রাফ। আক্রান্তের সংখ্যা ৭৬৪ জন! এখোনো অনেকেরই কোভিড টেস্টের নমুনা সংগ্রহ হয়নি। উত্তরটা মিলবে আর দু থেকে তিন দিনের মধ্যে। যা যথেষ্টই ভাবাচ্ছে জেলা প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য কর্তাদের। উৎসবের মরসুম সবে শুরু হল। সামনে আলোর উৎসব দীপাবলী, কালী পুজা। তারপর কার্তিক পুজা এবং ছট পুজা। কোথায় গিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়াবে, তা নিয়ে বাড়ছে দুশ্চিন্তা। চিকিৎসকেরা বলছেন, ন্যূনতম মাস্ক পড়ে বের হলে কিছুটা হলেও রক্ষা পাওয়া যেত। কিন্তু উৎসবের মরসুমে উধাও মাস্ক! আর কবে সচেতন হবে শহরবাসী? যেখানে বেডের সংখ্যা অপ্রতুল। উত্তরবঙ্গ মেডিকেলে বাড়ানো হচ্ছে বেড। শহরের প্রায় সব বেসরকারী হাসপাতালে শুরু হয়েছে চিকিৎসা। আবার একটা বড় অংশের আক্রান্তের বাড়িতেই চলছে চিকিৎসা। এর মধ্যেও আশার খবর রয়েছে। গত ৬ দিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪৮৮ জন। কিন্তু কোভিড প্রোটোকল না মেনে চললে সমূহ বিপদ আসন্ন।

Published by: Akash Misra
First published: October 28, 2020, 8:12 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर