Home /News /north-bengal /

ছাত্রীর থেকে 'ঘুষ' চাওয়ার অভিযোগ, শিলিগুড়িতে সব পদ থেকে সরানো হল অধ্যাপককে

ছাত্রীর থেকে 'ঘুষ' চাওয়ার অভিযোগ, শিলিগুড়িতে সব পদ থেকে সরানো হল অধ্যাপককে

এক্ষেত্রে NSC VIII ইস্যুর একটি পাঁচ বছরের ম্যাচিওরিটি পিরিয়ড রয়েছে। NSC ট্রান্সফার করার জন্য NC 34 নামে একটি ফর্ম পূরণ করতে হয়। যাঁকে ট্রান্সফার করা হচ্ছে, তাঁর নাম দিতে হয় এই ফর্মে। এর পাশাপাশি যিনি ট্রান্সফার করছেন, তার নামও দিতে হয়। সার্টিফিকেটের অ্যামাউন্ট, সিরিয়াল নম্বর, হোল্ডার সিগনেচার, ইস্যু করার তারিখ-সহ একাধিক তথ্য থাকে। যদি ট্রান্সফার করার লোকটি প্রাপ্তবয়স্ক না হন, তাহলে তাঁর অভিভাবক বা হোল্ডারের সই লাগবে। যাঁকে ট্রান্সফার করা হচ্ছে, তাঁর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।

এক্ষেত্রে NSC VIII ইস্যুর একটি পাঁচ বছরের ম্যাচিওরিটি পিরিয়ড রয়েছে। NSC ট্রান্সফার করার জন্য NC 34 নামে একটি ফর্ম পূরণ করতে হয়। যাঁকে ট্রান্সফার করা হচ্ছে, তাঁর নাম দিতে হয় এই ফর্মে। এর পাশাপাশি যিনি ট্রান্সফার করছেন, তার নামও দিতে হয়। সার্টিফিকেটের অ্যামাউন্ট, সিরিয়াল নম্বর, হোল্ডার সিগনেচার, ইস্যু করার তারিখ-সহ একাধিক তথ্য থাকে। যদি ট্রান্সফার করার লোকটি প্রাপ্তবয়স্ক না হন, তাহলে তাঁর অভিভাবক বা হোল্ডারের সই লাগবে। যাঁকে ট্রান্সফার করা হচ্ছে, তাঁর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।

কলেজের ৭১ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম এই ধরনের অভিযোগ উঠল। এতে কলেজের সুনাম কালিমালিপ্ত হয়েছে। তবে তাঁকে সাসপেন্ডের পথে যায়নি পরিচালন সমিতি।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: টাকার বিনিময়ে এক কলেজ ছাত্রীকে পাশ করিয়ে দেওয়া হবে এই অভিযোগে অভিযুক্ত অধ্যাপককে শিলিগুড়ি কলেজের সব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। এমন কি, কলেজের ওয়েবসাইট থেকেও বাদ রাখা হল তাঁর নাম ও টেলিফোন নম্বর। সরানো হল রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধানের পদ থেকেও। আজই কলেজের পরিচালন সমিতির জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত তাঁকে কলেজে যোগ দিতে বারণ করে নির্দেশিকাও জারি হয়েছে। অভিযুক্ত অধ্যাপককে শোকজ করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে দশ হাজার টাকা চাওয়ার যে অভিযোগ এক ছাত্রী লিখিতভাবে করেছে, তার জবাব চেয়ে পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিচালন সমিতির সদস্য জয়ন্ত কর। অভিযুক্ত অধ্যাপকের বিরুদ্ধে শিলিগুড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

কলেজের ৭১ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম এই ধরনের অভিযোগ উঠল। এতে কলেজের সুনাম কালিমালিপ্ত হয়েছে। তবে তাঁকে সাসপেন্ডের পথে যায়নি পরিচালন সমিতি। ৭ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। যার চেয়ারম্যান করা হয়েছে ঝিনুক দাশগুপ্তকে। আগামী এক মাসের মধ্যে তদন্ত করে তাঁরা রিপোর্ট জমা দেবেন। অভিযোগকারিণী ছাত্রী, অভিযুক্ত অধ্যাপকের সঙ্গে কথা বলবেন এই কমিটির সদস্যরা। রিপোর্ট হাতে আসার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি জানান, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গাইড লাইন মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিচালন সমিতি।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও ওই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে মাটিগাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। এদিকে প্রশাসনের উপর চাপ বাড়াতে আজ শিলিগুড়ি মহকুমা জুড়ে কালা দিবস পালন করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান, বিক্ষোভ দেখায়। পরে ওই অধ্যাপকের কুশপুতুলও দাহ করে তারা। অভিযুক্ত অধ্যাপকের শাস্তি দাবি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি জমা দেয় তৃণমূল সমর্থিত উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় অস্থায়ী শিক্ষা কর্মী অ্যাসোসিয়েশন। ঘটনার নিন্দা করেছেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেবও। তবে এখোনও পর্যন্ত যাবতীয় অভিযোগ নিয়ে মুখ খোলেননি অভিযুক্ত অধ্যাপক।

Partha Pratim Sarkar

Published by:Debamoy Ghosh
First published:

Tags: Siliguri

পরবর্তী খবর