আরও সস্তা আলু! রাজ্য়ে ফলছে প্রচুর আলু, যথাযথভাবে রাখা হচ্ছে হিমঘরেও, জানালেন মন্ত্রী

হিমঘর

জে পি নাড্ডার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত জানান যে, কৃষকদের পাশে সরকার৷ রাজ্য়ে পর্যাপ্ত হিমঘর রয়েছে। কৃষকরা তা থেকে সুবিধা পেয়ে থাকেন। কোনও অসুবিধা নেই। আগামী দিনে তারা আরও হিমঘর তৈরি করবেন।

  • Share this:

#মালদহ: রাজ্যে কৃষকদের জন্যে পর্যাপ্ত হিমঘর নেই। মালদহে এসে অভিযোগ করেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। তাঁর অভিযোগ কৃষকরা ফসল রাখতে পারেন না। সারা বছর ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় তাদের। বিজেপির এই অভিযোগ ওড়াল রাজ্য সরকার। রাজ্যের কৃষি বিপনণ মন্ত্রী জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত হিমঘর রয়েছে। কৃষকরা তা থেকে সুবিধা পেয়ে থাকেন। কোনও অসুবিধা নেই। আগামী দিনে তারা আরও হিমঘর তৈরি করবেন।

চলতি বছরে ১লক্ষ ১৫ হাজার মেট্রিক টন আলু উৎপাদন হবে এমনটাই দাবি করলেন কৃষি বিপণন মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত। যার ফলে রাজ্যের মানুষ এবার আরও অনেক সস্তায় আলু কিনতে পারবেন ও খেতে পারবেন। এই মুহুর্তে রাজ্যে সুফল বাংলার যত স্টল হয়েছে তার থেকে সাধারণ মানুষ অনেক উপকৃত হচ্ছেন প্রতিদিন। এই বিপুুুল পরিমাণ আলু যথাাযথ ভাবে হিমঘরে রাখা হবে বলে তিনি জানান। করোনাকালীন অবস্থায় এই হিমঘর গুলো থেকে যেভাবে সাহায্য পাওয়া গিয়েছে তা অপরিসীম। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তাঁরা সবরকম সাহায্যের বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে  মন্ত্রীর কাছে হিমঘরের মালিকপক্ষ অভিযোগ জানান রাজ্যের পঞ্চায়েত সমিতির অধিন যেসব জায়গায় কোল্ডস্টোরেজ আছে তার লাইসেন্সের রিনিউ করার জন্য সরকারি আইন অনুযায়ী এক হাজার টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও দিতে হচ্ছে তাদের কুড়ি হাজার টাকা। এর পরিপ্রেক্ষিতে তপন দাশগুপ্ত জানান কোনোভাবেই এই কাজ মেনে নেবে না তাঁর দফতর ও রাজ্য সরকার। তিনি বলেন অবিলম্বে এই বিরুদ্ধে তিনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

অন্যদিকে রাজ্য সরকার প্রতিমুহূর্তে রাজ্যের প্রতিটা মানুষের পাশে আছে, জানান তপনবাবু৷ মন্ত্রীর কথায়, কেন্দ্রীয় সরকার যেভাবে সারা দেশের সকলের সঙ্গে বঞ্চনা করে চলেছে তারপরেও এই সরকার সবকিছুকে উপেক্ষা করে সাধারণ মানুষের কাছে সবকিছুই বিনামূল্যে পৌঁছে দিচ্ছে৷ হঠাৎ করে ভোটের ঢাকে কাঠি পড়তেই রাজ্যে বাইরে থেকে কিছু মানুষ আসছেন এই রাজ্যে সমস্য়া বাধানোর জন্য। কিন্তু বাংলার মানুষ কিছুতেই এটা মেনে নেবে না। ভোটের দিন ইভিএমে জবাব দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করবেন। ক্ষমাতায় আসার পর এই সরকারের প্রথম নজরে আসে এই হিমঘর গুলোর ওপর। সেখান থেকে সবরকম দালাল চক্র বন্ধ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে সেই দালাল চক্র আর নেই।চাষীরা তার ফসলের সঠিক মূল্য পাচ্ছেন বলে দাবি করেছেন কৃষি বিপণন মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত।

Published by:Pooja Basu
First published: