দার্জিলিঙে সবদলকে একসঙ্গে কাজের আহবান, মার্চে পাহাড়ে শিল্প সম্মেলনের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব চিত্র

দার্জিলিঙে সবদলকে একসঙ্গে কাজের আহবান, মার্চে পাহাড়ে শিল্প সম্মেলনের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

  • Share this:

     #দার্জিলিং: সর্বদল বৈঠকে জিটিএ নিয়ে পাহাড়ের সবদলের স্বীকৃতি আদায় করে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জিটিএ-র মাধ্যমেই পাহাড়ে উন্নয়নের কাজ চালাতে সম্মতি জিএনএলএফ সহ ১৫ টি আঞ্চলিক বোর্ডের। পাহাড়ে কর্মসংস্থান তৈরিতেও বিশেষ উদ্যোগের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। আগামী মার্চে পাহাড়ে শিল্প সম্মেলনের আয়োজন করছে রাজ্য। পাহাড়েও অন্যত্র একই ভাবে শিল্প আনার কৌশল নিচ্ছে রাজ্য প্রশাসন।

    সংঘর্ষ - বনধের পর পাহাড়ের প্রথম সর্বদল। আর মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই বৈঠকে মুছে গেল শেষ মতবিরোধটুকুও। জিটিএ-র মাধ্যমেই পাহাড়ে উন্নয়ন নিয়ে একমত পাহাড়ের সবদল। জিটিএ-র সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে সম্মতি জিএনএলএফ সহ সব রাজনৈতিক দলের। পাহাড়ের সবকটি আঞ্চলিক বোর্ডের সম্মতিও আদায় করে করে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

    রাস্তার নামকরণ অনুষ্ঠানে পাশাপাশি এসেছিলেন। এদিন সর্বদলের পর বিনয় তামাঙের নেতৃত্বাধীন জিটিএ-র সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার জিএনএফএফ প্রধান মন ঘিসিংয়ের।

    পাহাড়বাসীর চাহিদা বুঝে পাহাড়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতেও একাধিক ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। পাহাড়ে বিনিয়োগ টানার পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের লক্ষ্যেও একাধিক উদ্যোগের কথা ঘোষণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

    তিনি বলেন, ‘পাহাড়ে শিল্প চাই, শান্তি চাই ৷ মার্চে পাহাড়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল মিট হবে ৷ পাহাড়ে কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে ৷ শিল্প হলেই কর্মসংস্থান বাড়বে ৷ পাহাড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি খোঁজা হচ্ছে ৷’

    টানা বনধে বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয় পাহাড়বাসীকে। বাধা পড়েছিল পড়াশোনায়। সমস্যায় পড়েছিলেন সরকারি কর্মীরা। সেই ক্ষতিপূরণে নতুন উদ্যোগে কাজ শুরুর বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর।

    শিক্ষকদের মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, ‘২-৩ মাস পাহাড়ে পড়াশোনা ঠিক মত হয়নি ৷ সিলেবাস শেষ করতে বেশি ক্লাস করুন ৷’

    স্বচ্ছ প্রশাসনিক আর কর্মসংস্থান - পাহাড়বাসীর মূল দুই চাহিদা বুঝেই এগিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাহাড় সফরে এই দুই লক্ষ্যপূরণে এগিয়েছেন ধাপে ধাপে। মুখ্যমন্ত্রীর পাহাড় সফরে তাই একের পর এক সাফল্য।

    First published: