• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • CM MAMATA BANERJEE ANNOUNCED TO GIVE SPECIAL HONOUR TO KAMTAPURI AND RAJBANGSHI LANGUAGE

কামতাপুরী ও রাজবংশী ভাষাকে স্বীকৃতির উদ্যোগ নিল সরকার

জেলার কামতাপুরী ও রাজবংশী ভাষাকে স্বীকৃতি দিতে উদ্যোগী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ির নেতৃত্বে গড়া হয়েছে কমিটি।

জেলার কামতাপুরী ও রাজবংশী ভাষাকে স্বীকৃতি দিতে উদ্যোগী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ির নেতৃত্বে গড়া হয়েছে কমিটি।

  • Share this:

    #কোচবিহার: বাম শাসনে পিছিয়ে পড়া জেলা ছিল কোচবিহার। সেই তকমা মুছে দিচ্ছে বর্তমান সরকার। কোচবিহার সফরে গিয়ে দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। জেলার কামতাপুরী ও রাজবংশী ভাষাকে স্বীকৃতি দিতে উদ্যোগী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ির নেতৃত্বে গড়া হয়েছে কমিটি। এছাড়া, জেলার উন্নয়নে ক্ষুদ্রশিল্প হাব গড়ে তুলতেও আগ্রহী সরকার।

    একসময়ের বামঘাঁটি কোচবিহার। কিন্তু, বাম আমলে সেই কোচবিহারে উন্নয়নের গ্রাফ কতটা উঠেছে? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, একসময় অনেকটাই পিছিয়ে পড়া জেলা ছিল কোচবিহার।

    আরও পড়ুন

    পরীক্ষায় টুকলি করতে দিতে হবে, দাবি হবু ‘শিক্ষক’দের

    কোচবিহারে রাজবংশী ও কামতাপুরী ভাষা নিয়ে আবেগ যে কতটা গভীর তা বুঝেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই, দুটি ভাষাকেই এবার স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা করলেন তিনি। শিক্ষাবিদ নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ির নেতৃত্বে তৈরি হচ্ছে ভাষা অ্যাকাডেমি।

    আরও পড়ুন 

    আর যাই করুন বিজেপি-তে যাবেন না, ওরা শুধু ধর্মের নামে দাঙ্গা লাগায়’, কটাক্ষ মমতার

    কৃষি ছাড়াও, কোচবিহারের শিল্প উন্নয়নেও নজর মুখ্যমন্ত্রীর। সেই লক্ষ্যপূরণে, জেলায় ক্ষুদ্রশিল্প হাব গড়ে তুলতে চায় রাজ্য সরকার। চোখ রয়েছে কৃষিভিত্তিক শিল্পেও।

    মঙ্গলবারই, কোচবিহারে মেডিকেল কলেজের শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে, প্রাচীন কোচবিহার শহরকে হেরিটেজ হিসেবেও ঘোষণা করতে চলেছে সরকার। জেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মন টেনেছে মুখ্যমন্ত্রীর। সর্বসমক্ষেই সেই আবেগের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। বলেন, কোচবিহার দেখে তাঁর চোখ জুড়িয়ে গেছে।

    First published: