উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বিক্রি হয়নি লাখ লাখ টাকার দুর্গা প্রতিমা! চোখে জল, চরম ক্ষতির মুখে মৃৎশিল্পীরা

বিক্রি হয়নি লাখ লাখ টাকার দুর্গা প্রতিমা! চোখে জল, চরম ক্ষতির মুখে মৃৎশিল্পীরা

পুজোর উৎসবে সাধারণ মানুষের আনন্দকে দ্বিগুণ করে যে শিল্পীদের হাত, তাঁদের চোখে এখন জল, বুকের ভেতর চাপা হাহাকার।

  • Share this:

Sebak DebSarma

#মালদহ: দুর্গাপূজায় চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন মালদহের মৃৎশিল্পীরা। অবিক্রিত দুর্গা প্রতিমা থেকে গিয়েছে শিল্পীদের ঘরে ঘরে। করোনা আবহে পুজোর বাজেট কমিয়েছেন উদ্যোক্তারা। এর কোপ এসে পড়েছে শিল্পীদের রোজগারে। অধিকাংশ দামি প্রতিমা বিক্রি করতে পারেননি শিল্পীরা। কারণ বেশিরভাগ উদ্যোক্তাই কম বাজেটের রেডিমেড প্রতিমা কিনে পূজা সারছেন। সবমিলিয়ে মাথায় হাত পড়েছে শিল্পীদের। পুজোর উৎসবে সাধারণ মানুষের আনন্দকে দ্বিগুণ করে যে শিল্পীদের হাত, তাঁদের চোখে এখন জল, বুকের ভেতর চাপা হাহাকার।

মালদহের হবিবপুরের বুলবুলচন্ডীর মৃৎশিল্পী উত্তম পাল। নামী শিল্পী হিসেবে শুধু মালদহ নয়, গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়ে তাঁর খ্যাতি রয়েছে। সাত লক্ষ টাকার ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে করোনার প্রকোপের আগে থেকেই প্রতিমা তৈরি শুরু করেছিলেন। সব মিলিয়ে ২৭টি দুর্গা প্রতিমা তৈরি করেন তিনি। এরমধ্যে মাত্র ১৫টি দুর্গা বিক্রি করতে পেরেছেন। তাও দাম উঠেছে সর্বোচ্চ মাত্র ২০ হাজার টাকা। এ বার সর্বোচ্চ ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত দামের মূর্তি তৈরি করেছিলেন উত্তমবাবু। দামি ১২টি দুর্গা, কারখানায় পড়ে রয়েছে। দূরদূরান্তের পুজো উদ্যোক্তারা স্থানীয়ভাবে কম দামে দুর্গা প্রতিমা নিয়েছেন। ফলে শেষ মুহূর্তে প্রতিমা না নেওয়ার কথা জানান। আবার যে সব উদ্যোক্তারা প্রথমে কিনেছেন তাঁরাও নামমাত্র দামে প্রতিমা নেওয়ায় পারিশ্রমিক পর্যন্ত ওঠেনি। কারখানার সহযোগী শিল্পী ও কর্মীদের পারিশ্রমিক মেটাতে গিয়ে শিল্পীদের দেনার বহর আরও বেড়েছে।

কয়েক লক্ষ টাকার অবিক্রিত প্রতিমা ঘরে থেকে যাওয়াই এখন কিভাবে ব্যাঙ্কের ঋণ শোধ করবেন, আর কী ভাবে সংসার চালাবেন এ সব ভেবে কূলকিনারা পাচ্ছেন না  শিল্পীরা। প্রতিমার বাজারে এত মন্দা অতীতে আর কখনও হয়নি বলে জানিয়েছেন কয়েক দশক ধরে মৃৎশিল্প শিল্পের সঙ্গে যুক্তরা। এই অবস্থায় আপাতত লক্ষ্মী পূজার কালীপুজোর দিকে তাকিয়ে রয়েছেন মালদহের মৃৎশিল্পীরা। লোকসানের মাত্রা আদৌ কমবে কিনা, লক্ষী পূজোয় লক্ষ্মীলাভ হবে কিনা শিল্পীদের সংসারে তা সময়ই বলবে।

Published by: Simli Raha
First published: October 28, 2020, 7:42 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर