জাতীয় সড়কে কর্তব্যরত অবস্থায় লড়ির ধাক্কায় সিভিক ভলেন্টিয়ারের মৃত্যু

জাতীয় সড়কে কর্তব্যরত অবস্থায় লড়ির ধাক্কায় সিভিক ভলেন্টিয়ারের মৃত্যু
পুলিশ ঘাতক লড়িটিকে আটক করতে পারে নি।পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশ ঘাতক লড়িটিকে আটক করতে পারে নি।পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

  • Share this:

#চোপড়া:  লরির ধাক্কায় মৃত্যু এক সিভিক ভলেন্টিয়ারের। মৃত ওই সিভিকের নাম নিত্যানন্দ দেবনাথ।ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া থানার সোনাপুরে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে।পুলিশ ঘাতক লড়িটিকে আটক করতে পারে নি।পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পরিবার রাতেও  চোপড়া থানার সোনাপুরে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে নৈশ পাহাড়ার দায়িত্বে ছিলেন চোপড়ার পুলিশ সহ সিভিল ভলেন্টিয়ার নিত্যানন্দ দেবনাথ। অধিক রাতে কর্তব্যরত অবস্থায় দ্রুত গতিতে আসা একটি লড়ি তাকে ধাক্কা মেরে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তার সহকর্মীরা চোপড়া দলুয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।মৃত সিভিক ভলেন্টিয়ারের বাড়ি চোপড়া থানার চুটিয়াখোর গ্রাম পঞ্চায়েতের খুনিয়া গ্রামে। মৃত দেহ ময়নাতদন্তের জন্য ইসলামপুর হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে।


ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার শচীন মক্কার জানিয়েছেন ঘটনার জানার পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে ঘটনার তদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক লড়িটিকে চিহ্নিত করা চেষ্টা করা হচ্ছে। সিভিক ভলেন্টিয়ারের মৃত্যুতে পুলিশ মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃতের গোবিন্দ চন্দ্র দাস জানান, চোপড়া থানার সোনাপুর পেট্রোল পাম্পের কাছে পুলিশের সঙ্গে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে নাকা ডিউটি করছিলেন নিত্যানন্দ।আচমকা  দ্রুত গতিতে আসা একটি লড়ি তাকে পিষে দিয়ে দ্রুত গতিতে সেখান থেকে চলে যায়। দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মিরা লড়িটিকে আটকাবার চেষ্টা করেও ব্যার্থ হন। পুলিশ কর্মিরা দ্রুত তাকে চোপড়া দলুয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।রাতেই চোপড়া  থানার পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের জানানো হয়।রাতেই তারা চোপড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসে পৌছান।  তারা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

আজ সকালে তার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য ইসলামপুর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে এসেছেন।তার মৃত্যুর খবর পেয়ে গ্রামের বাসিন্দারা ছাড়াও আত্মীয় পরিজন ইসলামপুর হাসপাতালে পৌছান। নিত্যানন্দের মৃত্যুতে পরিবারের লোকেরা চরম সমস্যার মধ্যে পড়লেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারির মৃত্যু হওয়ায় এখন তাদের সংসার কিভাবে চলবে তা বুঝে উঠতে পারছেন। দ্রুত জেলা পুলিশ প্রশাসন মৃত পরিবারের পাশে না দাঁড়ালে তাদের সংসার রাস্তায় এসে দাঁড়াবে। ইসলামপুর পুলিশ জেলা পুলিশ সুপার শচীন মক্কার জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের বৈঠক করতে তিনি কলকাতায় ছিলেন। সেখানেই এই খবরটি পান। কলকাতা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি ইসলামপুরে পৌছে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।

 Uttam Paul

Published by:Debalina Datta
First published: