উচ্চাকাঙ্খা থেকেই শিশু পাচার চক্রে চন্দনা

উচ্চাকাঙ্খা থেকেই শিশু পাচার চক্রে চন্দনা
  • Share this:

#জলপাইগুড়ি: বরাবরের উচ্চাকাঙ্খী। পুলিশ-প্রশাসন এবং রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ওঠা-বসা। সাফল্যে সিঁড়ি চড়তে যে কোনও পন্থা অবলম্বন করতেই পিছনা হতেন না। জলপাইগুড়ি শিশুপাচারচক্রের মাথা চন্দনা চক্রবর্তীর সম্পর্কে এমনই তথ্য হাতে এসেছে গোয়্ন্দাদের।

 কলেজ জীবনের শুরুতেই ছাত্র রাজনীতিতে হাতেখড়ি। জলপাইগুড়ির পিডি ওম্যানস কলেজে ছাত্র পরিষদের টিকিটে জিতে জিএস-ও হয়েছিলেন। পড়াশোনা শেষ করেই ব্যবসায় নেমে পড়েছিলেন চন্দনা চক্রবর্তী। স্বামীর পূর্ত দফতরে চাকরির সৌজন্যে জলপাইগুড়িতে কিং সাহেবের ঘাটে সরকারি কোয়ার্টার পেয়েছিল চন্দনার পরিবার। সেখানেই পাতেন কেবল টিভির ব্যবসা। সরকারি আবাসনে ব্যবসা নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন তুলেছিলেন প্রতিবেশীরা। তারপরই সেই ব্যবসা তুলে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হন চন্দনা।

চন্দনার উত্থান

- ১৯৯৭ সালে জলপাইগুড়িতে 'জিউ' নামে প্রথম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন খোলেন

- ২০০৯ সালে তার নাম পালটে হয় 'বেঙ্গল পিপলস ডেভলপমেন্ট সেন্টার'

Loading...

- সেবছরই জেলায় চাইল্ড অ্যাডপশন সেন্টার খোলার লাইসেন্স পায় সংগঠনটি

- তারপরই উল্কাগতিতে উত্থান শুরু চন্দনার

- জলপাইগুড়িতে একের পর এক 'হোম' খুলতে শুরু করেন তিনি

- শুরু হয় রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ওঠা-বসা

- পুলিশ-প্রশাসনেও ভাল রকমের যোগাযোগ ছিল চন্দনার

সাফল্যে সিঁড়িতে চড়তে যে কোনও পন্থাই তার কাছে অসম্ভব ছিল না। সেই উচ্ছাকাঙ্খী জীবনের সঙ্গে তাল মেলাতেই কী ছোট-ছোট বাচ্চাদের জীবন বাজি রেখেছিলেন চন্দনা? টাকার লোভে পাচার করেছিলেন একাধিক শিশু? জলপাইগুড়ি শিশুপাচার চক্রের তদন্তে নেমে, এখন চন্দনার বিলাসবহুল জীবনযাবনকে আতস কাচের তলায় রেখেছে পুলিশ।

First published: 12:37:38 PM Feb 22, 2017
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर