উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

দিনের পর দিন দাপিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে খাঁচাবন্দি চিতাবাঘ! দেখুন ছবি

দিনের পর দিন দাপিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে খাঁচাবন্দি চিতাবাঘ! দেখুন ছবি

চা বাগান তো বটেই, সংলগ্ন গ্রামীণ এলাকাজুড়েই চিতাবাঘের হানায় সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে স্থানীয়রা। সন্ধের পর স্থানীয়রা নিজেদের ঘরবন্দি রাখতো। বাইরে বের হওয়ার সাহস ছিল না।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস স্থানীয়দের। মাস খানেক ধরেই চলছিল চিতাবাঘের হানা। ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল গোটা এলাকা। কখনও গবাদি পশু শিকার করত। কখনও বা এলাকায় ত্রাস ছড়াত। কার্যত রাতের ঘুম ছুটেছিল গ্রামবাসীদের। শিলিগুড়ির বিধাননগরের বিজলিমণি এলাকার মতিধর চা বাগানে লুকিয়ে ছিল চিতাবাঘটি। সন্ধে নামতেই লেপার্ডের দাপটে  দিশেহারা হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। চা বাগান তো বটেই, সংলগ্ন গ্রামীণ এলাকাজুড়েই চিতাবাঘের হানায় সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে স্থানীয়রা। সন্ধের পর স্থানীয়রা নিজেদের ঘরবন্দি রাখতো। বাইরে বের হওয়ার সাহস ছিল না। খবর যায় বন দফতরের কাছে।

সেইমতো বাগডোগরা রেঞ্জের বন কর্মীরা এলাকায় খাঁচা পাতে। চার দিন আগে পাতা হয় খাঁচা। কিন্তু কিছুতেই বাগে আনা যাচ্ছিল না লেপার্ডটিকে। বন কর্মীরাও নজরদারি চালিয়ে আসছিল। অবশেষে শনিবার সকালে খাঁচা বন্দি হয় পূর্ণবয়স্ক মহিলা লেপার্ডটি। বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জখম অবস্থায় চিতাবাঘটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। কীভাবে আহত হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে। আপাতত আহত চিতাবাঘের চিকিৎসা করা হবে। সুস্থ হয়ে ওঠার পর জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে।

গত কয়েক মাস ধরেই ফাঁসিদেওয়া, ফুলবাড়ি এলাকায় লেপার্ডের দাপট চলছিল। মাস খানেক আগে রাণীডাঙায় একটি লেপার্ডের হানায় জখম হন এক রেঞ্জার সহ বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী। শূণ্যে গুলি, ঘুমপাড়ানি গুলি চালিয়েও লেপার্ডটিকে বাগে আনতে পারেনি বন কর্মীরা। পরে লাঠিসোটা দিয়ে বেপরোয়াভাবে চিতাবাঘটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয় ঘটনাস্থলেই। গ্রামবাসীদের পাশাপাশি লেপার্ড খুনে অভিযোগের আঙুল ওঠে বন কর্মীদের বিরুদ্ধেও। যা নিয়ে আন্দোলনে নামে বিভিন্ন পশু এবং পরিবেশপ্রেমী সংগঠন। তাদের চাপেই বন দফতরের বিশেষ টাস্ক ফোর্স তুলে দেওয়া হয়। শিলিগুড়ির তরাই এলাকায় চা বাগানে প্রচুর লেপার্ড রয়েছে। মাঝেমধ্যেই খাবারের সন্ধানে ঢুকে পড়ে লোকালয়ে। আর তাতেই আতঙ্ক ছড়ায় চা বাগান সংলগ্ন জন বস্তিতে। ঘুম ছুটে যায় এলাকাবাসীর। অবশেষে শনিবার কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে পেল এলাকাবাসী।

Published by: Pooja Basu
First published: January 10, 2021, 12:15 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर