উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

দার্জিলিঙের কথা সরকার ভাবেই না! শৈলশহরে দাঁড়িয়ে মমতাকে কটাক্ষ পর্যটন মন্ত্রীর

দার্জিলিঙের কথা সরকার ভাবেই না! শৈলশহরে দাঁড়িয়ে মমতাকে কটাক্ষ পর্যটন মন্ত্রীর

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রিয় শৈলশহর দার্জিলিঙে দাঁড়িয়েই শৈলশহরের উন্নয়ন নিয়ে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী প্রল্লাদ সিং পটেল

  • Share this:

#দার্জিলিং: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রিয় শৈলশহর দার্জিলিঙে দাঁড়িয়েই শৈলশহরের উন্নয়ন নিয়ে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী  প্রল্লাদ সিং পটেল ৷ পাশে ছিলেন বিজেপি-সাংসদ রাজু বিষ্ট-ও ৷ এদিন স্পষ্টই দার্জিলিঙের উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা রাজ্য সরকারকে কড়া ভাষায় নিন্দা করলেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী ৷ পর্যটনমন্ত্রীর কথায়, ‘আর নয়, এবার পরিবর্তন চাইছে এ রাজ্যের বাসিন্দারা ৷ এবার ২০০ পার করবে বিজেপি ৷ বাংলার প্রতি এই রাজ্য সরকারের অনীহা আর গোপন নেই ৷ একেবারে সবার কাছেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে ৷ এ রাজ্যের আইন-কানুন ব্যবস্থা একেবারে বেহাল ৷ আর তারজন্য দায়ী মমতার সরকার ৷’ সাংবাদিক বৈঠকে দার্জিলিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রল্লাদ সিং পটেল ৷ তাঁর কথায়, ‘দার্জিলিং নিয়ে এই রাজ্য সরকার কখনই ভাবেননি ৷ এখানকার মানুষের কথা ৷ এখানকার সংস্কৃতির কথা ৷ কখনই দার্জিলিঙের সংস্কৃতিকে মর্যাদা দেয়নি এই সরকার ৷ শুধু তাই নয়, চা-শ্রমিকদের রুজিরোজগার, দিনযাপনের ব্যাপারে কোনও খোঁজ খবরই নেই রাজ্য সরকারের কাছে ৷ চা -শ্রমিকদের অবস্থা দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে ৷ আর সে ব্যাপারে কোনও পদক্ষেপই নিচ্ছে না সরকার ৷ এছাড়াও দার্জিলিঙে জমি সমস্যা রয়েছে ৷ সে ব্যাপারেও একেবারে চুপ করে রয়েছে সরকার ৷ ’

তিনি আরও বলেন, ‘দার্জিলিঙের কোণায় কোণায় প্রকৃতি নিজের রূপকে ঢেলে দিয়ে ৷ ইংরেজ আমল থেকেই দার্জিলিঙ থেকে নানারকমের ট্যাক্স জমাও পড়ছে ৷ কিন্তু তার তুলনায় উন্নতি তো চোখে পড়ছে না ! দিন দিন বেহাল অবস্থা হচ্ছে এই শৈলশহরের ৷ দার্জিলিঙে বহু দেশি-বিদেশের মানুষ আসে ৷ তাঁরা শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়, এখানকার সংস্কৃতিকেও জানতে আসে ৷ তবে সে ব্যাপারে রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ চোখে পড়ে না ৷ ’

Published by: Akash Misra
First published: January 10, 2021, 8:05 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर