corona virus btn
corona virus btn
Loading

মালদহ মেডিক্যালে সক্রিয় 'দালাল চক্র' ! চলছে জোর করে টাকা আদায় !

মালদহ মেডিক্যালে সক্রিয় 'দালাল চক্র' ! চলছে জোর করে টাকা আদায় !

মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসে প্রতি পদে বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে রোগীর পরিবারকে।

  • Share this:

#মালদহ: মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসে প্রতি পদে বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে রোগীর পরিবারকে। সৌজন্যে হাসপাতালে 'দালাল রাজ'। আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ হল, দালাল চক্রের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে পড়েছেন হাসপাতাল কর্মীদেরই একাংশ। হাসপাতালে ভর্তি থেকে রোগী ছুটি হওয়া পর্যন্ত বারবারই কার্যত জোর জুলুম করে রোগীর বাড়ির লোকজনের কাছ থেকে চলছে টাকা আদায়। ঘটনা দুভার্গজনক বলছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে প্রায় সমস্ত চিকিৎসায় এখন বিনামূল্যে। এইজন্য সরকারি কোষাগার থেকে খরচ হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। কিন্তু এরপরেও মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিনা পয়সায় পরিষেবা পাচ্ছেন না রোগীরা। অন্তত এমনটাই অভিযোগ রোগীর বাড়ির লোকজনের। কারণ, সরকারি ভাবে কোনো টাকা দিতে না হলেও হাসপাতালের ভেতরেই জোর করে রোগীর বাড়ির লোককে টাকা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। অভিযোগ, কারো ছেলে বা মেয়ে হলে অপারেশন থিয়েটারের বাইরে এনে শুরু হয়ে যাচ্ছে টাকার জন্য চাপ। ছেলে, মেয়ে, প্রথম সন্তান এইসব নানা ক্ষেত্রে রোগীর পরিবারকে দিতে হচ্ছে পাঁচশো থেকে দেড় হাজার পর্যন্ত টাকা। টাকা না দিলে কপালে জুটছে হেনস্তা। এমনকি শয্যা পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে না।

শুধু সন্তান হওয়ার জন্যই নয়, যে কোনো রোগীকে এক ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়ার জন্য ট্রলিতে তুললেই ‘রেট’ ১০০ থেকে ৩০০ টাকা। হাতে টাকা গুজে না দিলে  ট্রলি পাচ্ছেন না তাঁরা। শুধু তাই নয় এক ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে কাগজপত্র বা কোনো চিকিৎসকের কাছে ‘কল বুক’ নিয়ে যেতে হলেও স্বাস্থ্য কর্মীদের একাংশ বাড়তি টাকা দাবি করছেন বলে অভিযোগ।  রোগীর বাড়ির লোকজন বেশীর ভাগই বলছেন আগের চেয়ে এখন হাসপাতাল অনেকটাই ভাল। ভেতরের পরিচ্ছন্নতাও উন্নত ।চিকিৎসার মানও  খুব খারাপ তা নয়। কিন্তু হেনস্থা হতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্মীদের একাংশের জোর করে টাকা আদায়ের। রোগী ও পরিবারের লোকজনকে লুটপাট করে নেওয়া হচ্ছে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতাল কর্মীদের একাংশের জোর করে টাকা আদায়কে দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন মালদা মেডিক্যাল কলেজের সুপার অমিত কুমার দাঁ। ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

সেবক দেবশর্মা

Published by: Piya Banerjee
First published: March 3, 2020, 10:28 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर