ধূপগুড়ি হাসপাতালে সক্রিয় দালালচক্র! রমরমা বেসরকারি ল্যাবের!

ধূপগুড়ি হাসপাতালে সক্রিয় দালালচক্র! রমরমা বেসরকারি ল্যাবের!
representative image

ধূপগুড়ি হাসপাতালে সক্রিয় দালালচক্র! রমরমা বেসরকারি ল্যাবের!

  • Share this:

    #ধূপগুড়ি: বেনিয়মই এখানে নিয়ম। রামপুরহাট, সাঁইথিয়ার পর ধূপগুড়ি ব্লক হাসপাতাল। সরকারি হাসপাতালে ঢুকে রোগির রক্তের নমুনা সংগ্রহ করছেন বেসরকারি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবের কর্মীরা। স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসকদের সামনেই সক্রিয় বেআইনি দালাল চক্র। তবে পুরো ব্যাপারটাই খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক।

    চিকিৎসকের ইস্তফা, রোগী হয়রানির খবরে এমনিতেই শিরোনামে ধূপগুড়ি ব্লক হাসপাতাল। এবার খবরে নতুন বিতর্ক । সরকারি হাসপাতাল, অথচ ওয়ার্ডের রোগিদের রক্ত পরীক্ষা করছেন বেসরকারি প্যাথ ল্যাবের কর্মীরা। সকাল সাতটা থেকে মহিলা, পুরুষ, শিশু ওয়ার্ডে তাঁদের অবাধ যাতায়াত। রক্তপরীক্ষার নিদান দেন হাসপাতালেরই চিকিৎসক। অথচ রক্তের নমুনা নেন বেসরকারি ল্যাব কর্মীরা। নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসকদের উপস্থিতিতেই চলছে বেআইনি কারবার।

    হাসপাতালে রয়েছে পি পি মডেলের প্যাথ ল্যাব। নিয়মিত পরীক্ষাও হয় সেখানে। তবু কীভাবে, কেন, বেসরকারি প্যাথ ল্যাবের এত বাড়বাড়ন্ত ? কে বোঝাচ্ছে রোগির আত্মীয়দের? অভিযোগ উঠছে, সরকারি ল্যাবে রিপোর্ট পেতে সময় লাগে! কিন্তু, বেসরকারি ল্যাবে রিপোর্ট মেলে সাধারণত তিন ঘণ্টায়! কাজেই অনেক রোগির আত্মীয়রা স্বেচ্ছায় বেসরকারি প্যাথ ল্যাবে রক্ত পরীক্ষা করাচ্ছেন।


    এই চক্রে মিডলম্যান হিসেবে কাজ করেন এক শ্রেণির নার্স ও গ্রুপ ডি স্টাফ। জড়িত রয়েছেন এক শ্রেণির বেসরকারি অ্যাম্বুল্যান্স কর্মীও। তাঁরাই রোগীর পরিবারের সঙ্গে বেসরকারি ল্যাব কর্মীদের যোগাযোগ করিয়ে দেন। মোটা টাকায় রক্তের নমুনা পরীক্ষা হয় । নার্সরা জানেন সব। জানেন চিকিৎসকরাও। অথচ অন্ধকারে নাকি জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক।

    হাসপাতালে বেনিয়মের ছবি তুলতে গেলে বাধা দেন নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। ক্যামেরা দেখে রক্ত না নিয়েই হাসপাতাল ছাড়েন বেসরকারি ল্যাব কর্মী। এর আগে এমন বেআইনি কারবারের ছবি ধরা পড়েছিল রামপুরহাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল ও সাঁইথিয়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে।

    আরও পড়ুন-বাড়ির রাস্তা নিয়ে বাবা-ছেলের বিবাদ, মারধরের জেরে আহত হলেন অন্তঃসত্ত্বা বউমা

    First published: