টিভি না মেলায় ছাদনাতলায় অশান্তি, কনে করল প্রতিবাদ ! সিঁদুরদানের পরে বউ ছাড়াই বাড়ি ফিরল বর

টিভি না মেলায় ছাদনাতলায় অশান্তি, কনে করল প্রতিবাদ ! সিঁদুরদানের পরে বউ ছাড়াই বাড়ি ফিরল বর

বিয়ের আসরে যৌতুক নিয়ে তুমুল বচসা দুই পক্ষের। গোলমাল থেকে হল হাতাহাতিও।

  • Share this:

#মালদহ: বিয়ের আসরে যৌতুক নিয়ে তুমুল বচসা দুই পক্ষের। গোলমাল থেকে হল হাতাহাতিও। একে অন্যের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ বর ও কনে পক্ষের। যার জেরে বিয়ের পরেও শ্বশুর বাড়ি গেল না প্রতিবাদী কনে। বিয়ে হলেও বউ না নিয়ে ঘরে ফিরল ছেলেপক্ষ। দুই পক্ষের গোলমাল গড়াল থানা-পুলিশ পর্যন্ত। পুরাতন মালদহের খয়রাতি পাড়ার ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্য। বিয়ের আসরে বড় ও কনে পক্ষের সংঘর্ষ। এরই জেরে বিয়ের পরেও বউ ছাড়া খালি হাতে ঘরে ফিরল বরযাত্রী সহ বর।

জানা গিয়েছে, পুরাতন মালদহের পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের খয়রাতি পাড়ার ব্যবসায়ী পাত্রের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয় পুরাতন মালদহের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের মঙ্গলবাড়ি এলাকার পাত্রীর। মঙ্গলবার ধুমধাম করে হচ্ছিল বিয়ের অনুষ্ঠান। এমনকি সিঁদুরদান পর্যন্ত হয়ে যায়। কিন্তু, এরপরেই যৌতুকের জিনিসপত্র নিয়ে শুরু হয় কথা চালাচালি। মুহূর্তের মধ্যে বচসা থেকে দুপক্ষের কিছু আত্মীয়ের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। ছেলে পক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। পাল্টা কনেও জানিয়ে দেয় বিয়ে হলেও হবু স্বামীর সঙ্গে শ্বশুর বাড়ি যেতে চান না। বাকবিতণ্ডার শেষে বউ ছাড়াই বিয়ের আসর থেকে ফিরে যায় বর ও বরযাত্রী।

এই ঘটনায় বুধবার মালদহ থানায় অভিযোগ জানিয়েছে কনে পক্ষ। তাঁদের অভিযোগ, বিয়েতে নগদ আড়াই লক্ষ টাকা, প্রায় আট ভরি সোনার অলঙ্কার, ঘরোয়া আসবাসপত্র দেওয়া হয় ছেলেকে। শুধু একটি টিভি দেওয়া বাকি ছিল। ওই টিভিও দেওয়ার জন্য কেনা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পাত্রপক্ষ বিয়ের আসরে সামান্য টিভি না পাওয়াতেই গোলমাল বাঁধায়। নিরাপত্তার কারনেই মেয়েকে শ্বশুড় বাড়িতে পাঠানো হবে না বলে জানায় কনেপক্ষ। অন্যদিকে পাত্রের দাবি, যৌতুক কোনো সমস্যাই নয়। বিয়ের আসরে যাবার পর থেকেই নানা ভাবে বরযাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হচ্ছিল। এমনকী, বরযাত্রীদের কয়েকজনকে মারধরও করা হয়। মেয়ে পক্ষই পুলিশে অভিযোগ করে ফাঁসিয়ে দেওয়া হবে হুমকি দেয় বলেও দাবি পাত্রের। এমন নজীরবিহীন অভিযোগ পেয়ে অস্বস্তিতে মালদা পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত।

First published: February 5, 2020, 8:04 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर