সাবাশ! চোখে জ্যোতি নেই, তাও দাবার চালে কিস্তিমাত করছেন প্রতিযোগিরা

সাবাশ! চোখে জ্যোতি নেই, তাও দাবার চালে কিস্তিমাত করছেন প্রতিযোগিরা
দাবা খেলছেন দষ্টিহীন প্রতিযোগিরা

চোখে জ্যোতি নেই, কিন্তু মনে আত্মবিশ্বাস ভরপুর। একই সঙ্গে তুখোড় মস্তিস্ক। মালদহে দাবা প্রতিযোগিতার প্রথম দিনেই ঝলক দেখালেন সুবোধ মণ্ডল, বলরাম হাঁসদার মতো দৃষ্টিহীন দাবাড়ুরা।

  • Share this:

#মালদহ: চোখে জ্যোতি নেই, কিন্তু মনে আত্মবিশ্বাস ভরপুর। একই সঙ্গে তুখোড় মস্তিস্ক। মালদহে দাবা প্রতিযোগিতার প্রথম দিনেই ঝলক দেখালেন সুবোধ মণ্ডল, বলরাম হাঁসদার মতো দৃষ্টিহীন দাবাড়ুরা। দৃষ্টিহীন হলেও রীতিমতো পেশাদার এমন বহু খেলোয়াড়ই এসেছেন মালদহে। যাঁদের খেলা দেখতে ভিড়  করলেন সমাজের বিশিষ্টজন থেকে নামী দৃষ্টিমান খেলোয়াড়রাও। যেভাবে একে অন্যকে কড়া চালে কিস্তিমাত করে দিলেন তা দেখে বিস্মিত প্রায় সকলে। বুদ্ধির খেলায় চোখের দৃষ্টি যে কোনও অন্তরায় নয়, প্রতি মুহুর্তে যেন তারই প্রকাশ। শনিবার মালদাহে শুরু হল সারা বাংলা দাবা প্রতিযোগিতা। দুই দিনের প্রতিযোগিতায় প্রথম দিন নিজেদের মধ্যে লড়াই করে ৭৫ জন দৃষ্টিহীন  দাবাড়ু। রবিবার  দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় ২০ জন মহিলা সহ ৫০ জন সাধারন  দাবাড়ু অংশ নেবেন। এরপর দৃষ্টিহীন ও দৃষ্টিমান এই দুই পর্যায়ের সেরারা ফের নামবেন  মুখোমুখি লড়াইয়ে। এদিন ঐতিহ্যবাহী মালদা ক্লাবে শুরু হয়েছে দাবা প্রতিযোগিতার আসর। ‘স্পার্ক’ নামে একটি স্বেচ্চাসেবী সংস্থা এই অভিনব দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজক। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিযোগিরা এসেছেন এখানে। এদিন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পর্বে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র, ইংরেজবাজারের বিধায়ক ও পুরপ্রধান নিহাররঞ্জন ঘোষ, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী সহ বিশিষ্টরা। মূলতঃ দৃষ্টিহীনদের মনে আরও আত্মবিশ্বাস জাগানো এবং পূর্নবাসনে সহায়তার লক্ষ্যে প্রতিযোগিতার আয়োজন বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। প্রতিযোগিতায় সহায়তায় জেলা প্রশাসন, ইংরেজবাজার পুরসভা সহ একাধিক সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা।

Sebak DebSarma

First published: February 22, 2020, 7:50 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर