corona virus btn
corona virus btn
Loading

বিজেপি সমর্থকের মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য,পুলিশের বিরুদ্ধে মারধোরের অভিযোগ দলের

বিজেপি সমর্থকের মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য,পুলিশের বিরুদ্ধে মারধোরের অভিযোগ দলের

বিজেপির অভিযোগ, তৃনমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুস্কৃতী ও পুলিশ এই খুনের সঙ্গে জড়িত।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: পুরানো মামলায় এক বিজেপি কর্মীকে পুলিশের গ্রেফতারের পর হাসপাতালে অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা ছড়িয়েছে রায়গঞ্জ গভর্মেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।  মৃত বিজেপি কর্মীর নাম অনুপ রায়।  পুলিশ তড়িঘড়ি মৃতদেহ উদ্ধার করে রায়গঞ্জ গভর্মেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ মর্গে  রাতের অন্ধকারেই ময়নাতদন্ত করায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন পরিবারের লোকজন সহ বিজেপি নেতা কর্মীরা। রাতেই হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিলে রায়গঞ্জ থানার বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়।

বিজেপির অভিযোগ, তৃনমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুস্কৃতী ও পুলিশ এই খুনের সঙ্গে জড়িত। ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি তোলার পাশাপাশি  ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে মৃতদেহের পুনরায় ময়নাতদন্তের দাবি তোলেন বিজেপির জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ী। যদিও রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার  পুলিশ সুপার সুমিত কুমার জানিয়েছেন, নেশায় আসক্ত অনুপ রায়কে পুরনো একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য  নিয়ে আসা হয়েছিল। আনার পথেই অসুস্থ বোধ করায় তাকে সরাসরি রায়গঞ্জ গভর্মেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হলে কিছুক্ষন পর চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,  ইটাহারের নন্দনগ্রামের বাসিন্দা অনুপ রায় মাস ছয়েক হল সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন।  বুধবার দুপুর ১ টা  নাগাদ তাঁকে পুরোনো একটি ছিনতাইয়ের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসে পুলিশ।  এরপর অনুপ রায় অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে রায়গঞ্জ গভর্মেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।  সন্ধ্যারাতে মৃত্যু হয় তাঁর। বিজেপি কর্মী অনুপ রায়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ তড়িঘড়ি রাতেই মৃতদেহের ময়নাতদন্ত সেরে ফেলে।

বিজেপির জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ীর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস ও পুলিশ পরিকল্পিত ভাবে খুন করেছে। এই খুনের ঘটনা ধামাচাপা দিতেই রাতের অন্ধকারে ময়নাতদন্ত করেছে পুলিশ। এমনই অভিযোগ৷ এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের পাশাপাশি দিনের বেলায় ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পুনরায় ময়নাতদন্তের দাবি তুলেছে বিজেপি। যদিও রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার সুমিত কুমার জানিয়েছেন,  প্রচন্ড নেশায় আসক্ত ওই ব্যক্তিকে পুরনো মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছিল। অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে রায়গঞ্জ গভর্মেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

Published by: Pooja Basu
First published: September 4, 2020, 8:59 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर